না; সেগুলি পূর্ব্বেকার স্থাপত্যেরই ক্রমিক ধারার পরিচয় দেয় মাত্র। বাস্তু-শিল্প সম্বন্ধে বেদের মধ্যেও উল্লেখ আছে দেখা যায়। তা থেকে বেশ বোঝা যায় যে স্থাপত্যকলার কেবল একটি আদিম (primitive) সংস্করণই বৈদিক যুগে যে ছিল, তা নয়। আমরা এখন সে বিষয় কিছু আলোচনা করব।
বাস্তু-শাস্ত্র অথর্ব্ববেদে গৃহ-প্রতিষ্ঠার বিষয় উল্লেখ আছে এবং মহানির্ব্বাণ তন্ত্রে ও মন্দির-প্রতিষ্ঠার কথা আছে। একটি প্রাচীন শ্লোকে আছে:
গেহ ত্বং সর্ব্বলোকাণা
পূজ্যঃ পুণ্যো যশঃপ্রদঃ।
দেবতাস্থিতিদানেন
সুমেরুসদৃশো ভব॥
ত্বং কৈলাসশ্চ বৈকুণ্ঠ-
স্ত্বং ব্রহ্মভবনং গৃহ।
য স্ত্বয়া বিধৃতো দেবস্তস্মাত্ত্বং
সুরবন্দিতঃ॥
যস্য কুক্ষৌ জগৎ সর্ব্বং
বরীবর্ত্তি চরাচরম্॥
দেবমাতৃসমস্ত্বং হি সর্ব্বতীর্থময়স্তথা।
সর্ব্বকামপ্রদো ভূত্বা শান্তিং মে
কুরুতে নমঃ॥
অর্থাৎ:—হে গেহ, তুমি সর্ব্বলোকের পূজ্য, তুমি পুণ্য ও যশ প্রদান কর। দেবতাকে প্রতিষ্ঠান ক’রে তুমি সুমেরুর মত হও। তুমিই কৈলাস, তুমিই বৈকুণ্ঠ, তুমিই