(৪) বিশ্বকর্ম্মা, (৫) মায়া, (৬) নারদ, (৭) নগ্নজিৎ (৮) বিশালাক্ষ, (৯) পুরন্দর, (১০) ব্রহ্মা, (১১) কুমার, (১২) নন্দিশ, (১৩) সৌনক, (১৪) গর্গ, (১৫) বাসুদেব, (১৬) অনিরুদ্ধ, (১৭) শুক্র এবং (১৮) বৃহস্পতি। বিশ্বকর্ম্মাকেই প্রধান বলে ধরে নেওয়া হয়। ‘বাস্তু-লক্ষণে’ আছে প্রথমেই ‘কাল-পরীক্ষা’—অর্থাৎ কোন্ সময় গৃহ-নির্ম্মাণের পক্ষে প্রশস্ত সেইটি স্থির করা। ‘দেশ-নির্ণয়’—অর্থাৎ স্থান-নির্ণয় করা, কোন্ দেশ বা স্থান গৃহ-নির্মাণের পক্ষে সকল রকমে উপযুক্ত। ‘ভূ-পরীক্ষা’—জমি (soil) কঠিন কিম্বা নরম, অর্থাৎ বোনেদের পক্ষে উপযুক্ত কিনা (পুষ্করিণী বোজান জমি নয় ত? ইত্যাদি খুঁটিনাটি)। ‘কর্ষণম্’—জমি স্থির হ’লেই তাকে কর্ষণের দ্বারা সমতল করার প্রয়োজন। ‘পদ-নির্ণয়’—কি ভাবে বাড়ীটির ভিত্তি স্থাপনা করা হবে—কতটা ভিত্তি চওড়া বা সরু করতে হবে (foundation laying), তার কথা। ‘সূত্র-বিন্যাস’—প্রথম নক্সার মাপে জমিতে দাগ কাটা। ‘গর্ভ-বিন্যাস’―প্রথম ভিত্তি-স্থাপনায় ইট বা পাথর কি দিলে বেশী মজবুত হবে জমি হিসেবে স্থির করা। তাছাড়া, জাতি-বিশেষের পক্ষে জমি কিরূপ হওয়া উচিত তারও খুঁটিনাটির বিষয় বাস্তুশাস্ত্রে দেওয়া আছে। যথা:
আর্য্যগন্ধা চ সাঃ ভূমি ব্রাহ্মণানাং প্রশস্যতে।
রক্তগন্ধা চ যা ভূমিঃ ক্ষত্রিয়াণাং প্রশস্যতে॥
অন্নগন্ধা চ যা ভূমিঃ সা বৈশ্যানাং প্রশস্যতে।
সুরাগন্ধা চ যা ভূমিঃ শূদ্রাণাং সমুদাহৃতা॥
শিল্পাচার্য্যদের মতে ২০ প্রকার মন্দিরের ব্যবস্থা আছে, এবং শুক্রনীতিতে ১৬টির মাত্র উল্লেখ দেখতে পাওয়া যায়।