(১) ‘মেরু’—১২ তলা এবং ৪টি তাতে প্রধান প্রবেশদ্বার। (২) ‘মন্দার’—১০ তলা চূড়া বা গম্বুজ দেওয়া। (৩) ‘কৈলাস’—৪ তলা চূড়া দেওয়া। (৪) ‘বিমান’—জালিকাটা গবাক্ষ বা জানালা থাকবে। (৫) ‘নন্দন’—৬ তলা এবং ১৬টি শিখরবিশিষ্ট। (৬) সমুদ্গ—গোল পেটিকার মত। (৭) ‘পদ্মা’—পদ্মের মত আকারের এবং একতলা। (৮-৯) ‘গড়ুর’ ও ‘নন্দী’—৭ তলা এবং ২০টি শিখর বা চূড়া থাকবে। (১০) ‘কুঞ্জর’—হাতীর পিঠের মত গড়ানে ও চওড়া। (১১) ‘গুহরাজ’—তিনটি চূড়াযুক্ত হবে। (১২) ‘বৃষ’—একতলা এবং একটি চূড়ার। (১৩) ‘হংস’—হংসের মত আকারের তৈরী। (১৪) ‘ঘট’—ঘটের মতন আকারবিশিষ্ট। (১৫) ‘সর্ব্বতোভদ্র’—৪টি প্রবেশ-পথ এবং অনেকগুলি শিখরযুক্ত পাঁচতলা মন্দির। (১৬) ‘সিংহ’—বারোটি কোণযুক্ত এবং সিংহের প্রতিমূর্ত্তি শোভিত হবে। প্রাচীন শিল্প-শাস্ত্রে এইরূপ অনেক বিধান দেখতে পাওয়া যায়। এ থেকে বেশ বোঝা যায় যে, বিস্তারিতভাবে বাস্তুশিল্পের চর্চ্চা বহুকাল থেকেই এদেশে চলে এসেচে। যদিও শিল্প-শাস্ত্র হিসাবে সকল দৃষ্টান্ত এখন আর দেখতে পাওয়া যায় না, কালের কবলে একে একে যে কোথায় অন্তর্হিত হয়েছে, তা’ কে বলতে পারে?
ভারতের স্থাপত্যকলাকে দেশ-হিসাবে ভাগ করা যেতে পারে। যদিও ভারতের স্থাপত্যের নিদর্শন কেবলমাত্র ভারতেই নিবদ্ধ নয়, কেন না বুদ্ধদেবের ধর্ম্মচক্রকে অবলম্বন করে ভারতের শিল্পচক্র পৌঁছেছিল সুদূর চীন, কোরিয়া ও ও জাপানে। চীন ও জাপানের স্থাপত্যকলায় (বিশেষ তোরণ-রচনায়) সাঁচী ও ভরহুতের প্রভাব স্পষ্ট দেখতে