সন্ত্রাসবাদীর প্রতি
ভারতের পক্ষে লজ্জার কারণ, গৌরবের নয়
সন্ত্রাশবাদ জন্মেছে নৈরাশ্যে ও বিফলতার ক্ষোভে। গুপ্ত ঘাতকের ছোরা ও বিস্ফোরক বোমা রাজনীতিতে আমদানী করলেই কি তার হীন পাশবতা ঘোচে? আসুরিক যা’, অন্ধ জিঘাংসু যা’, তা’ মানুষের চরিত্রকে পাশব ও নিষ্ঠুর করে দেয়, মানুষের অন্তরের মহত্ত্বকে ম্লান করে আনে। গুণ্ডা সর্ব্বত্রই গুণ্ডা, মেছোবাজারের গুণ্ডা, ধর্ম্মের গুণ্ডা, রাজনীতির গুণ্ডা এদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ নিকৃষ্ট ভেদ কোথায়? কোনও মহান উদ্দেশ্য সিদ্ধির জন্য নীচ জঘন্য উপায় ও অস্ত্রের প্রয়োগ তখনই যুক্তিযুক্ত হয় যখন আর সব উপায় ব্যর্থ হয়েছে, সাম দাম ভেদ সকল নীতির প্রয়োগ সমান নিস্ফলে গেছে। যুদ্ধ ও বিপ্লবের মত ব্যাপক হত্যা ও রক্তপাত যদি মন্দ ও আজকালকার উচ্চতর মানবতার চক্ষে নিন্দার্হ হয়, তা’ হলে যার মাঝে সন্মুখ যুদ্ধের শৌর্য্য নাই সে গুপ্তহত্যা আরও কত বেশী নিন্দার্হ ও জঘন্য! ভারতের উজ্জ্বল যুগের কত বীরত্বের কাহিনী আছে, ধর্ম্মপ্রাণ ভারতের সে সব যুগে মানুষ কখন অতর্কিতে পিছন হতে নিরন্ত্রকে হত্যা করা সমর্থন করে নাই, এ হীনতা জাতির ধারা ও স্বধর্ম্মের বিরোধী। অর্থগৃধ্ন গুণ্ডার ছোরাকে আমরা ঘৃণা করি, ধর্ম্ম বা সাম্প্রদায়িকতার নামে নির্জ্জনপথে যখন সেই ছোরা ধর্মান্ধের হাতে হিন্দু বা মুসলমানকে অতর্কিতে হত্যা করে তখনও আমরা
৩৮