ভারত কোন্ পথে?
কি আমাদের শাসকদেরও। মহাত্মাজীর অহিংস মহাব্রত তবু কতক পরিমানে সে পূজা পেয়েছে, কারণ দলের কর্ম্মী ও অন্য নেতারা জাতিবিদ্বেষ পোষণ করলেও মহাত্মাজী ও তাঁর অন্তরঙ্গরা তা’ করেন নাই। রাগ দ্বেষের বশে অন্ধ ও ক্রূর না হলে আমরা বড় কাজ ও দেশসেবা করতে পারবো না এর চেয়ে ভ্রমাত্মক ধারণা আর কি আছে? অথচ ধ্বংসমূলক যে কোন রাজনীতির প্রেরণা দেয়, গতি যোগায় যে বস্তু তা হচ্ছে (কোন না কোন আকারে) জাতি-বিদ্বেষ, ধর্ম্ম-বিদ্বেষ বা শ্রেণী-বিদ্বেষ। মানব কল্যাণের বাহন করা হয় পশুকে, অসুরকে। তাই ছারপোকা যেমন ডিম পাড়ে তেমনি আমাদের এই প্রবল ইংরাজ-বিদ্বেষ আজ বহু সাম্প্রদায়িক ও প্রাদেশিক খণ্ড বিদ্বেষের জন্ম দিয়েছে। এই হানাহানি কাড়াকাড়ী স্বার্থের হুড়াহুড়ির আবহাওয়ায় অনুরূপ উগ্র আত্মসর্ব্বস্ব স্বার্থ ছাড়া আর কিই বা জন্মাবে?
দেশের তরুণদের এই কথা বুঝতে হবে, যে, এখানে একটা ওখানে একটা ব্যক্তিগত আক্রমণকে—বিক্ষিপ্ত নরহত্যাকে একটা জাতীয় আন্দোলন আখ্যা দেওয়া কোন ক্রমেই যায় না। পুলিশ রিপোর্ট সন্ত্রাশবাদ সম্বন্ধে যাই বলুক, এদলের ছেলেদের চেয়ে আর কেউ একথা ভাল করে জানে না, যে, আমাদের মধ্যে সামান্য মাত্র একতাই ছিল এবং ছোট ছোট দলের নেতাদের হীন ব্যক্তিগত পরশ্রীকাতরতা ও আত্মকলহে সেটুকু ঐক্যও ভেঙে পড়ছে। এই হিংস্র পথের তরুণদের মনে এখন আর কোন ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব বন্ধন বা সহমর্ম্মিতা, কোন কার্যকরী পন্থা বা প্রোগ্রাম নাই। কৃষ্ণ রাজস শক্তির সন্তানদের ধর্ম্মই এই, এ বিয়ের এই মন্ত্র; বিষ আত্মপর বাছে না —সকলকে সমান ভাবে ধ্বংস করে। স্বার্থ মানুষকে ক্রমশঃ সঙ্কীর্ণ বিকৃত ও হীন করে আনে। স্বাধীন চীনের স্বাধীন সামরিক নেতাদের
৫০