জোয়াহির লাল ও কুম্যনিজম্
জাতির স্বধর্ম্ম মিথ্যা নয়।
ইটন্, হ্যারো, অক্সফোর্ডে শিক্ষিত পাশ্চাত্যের সেই আবহাওয়ায় মানুষ জোয়াহির লালের মত নেতারা মানুযের জীবনের গভীরতর সত্যগুলির সঙ্গে পরিচয় রাখা দূরে থাক প্রকৃত ভারতকেই চেনেন না। এঁরা ধূতিচাদর ঢাকা অক্সফোর্ড ও কেম্ব্রিজ ছাড়া আর কিছুই নন। মানুষের অন্তরচেতনার স্বপ্ন রূপ, রস ও ভাবের যে সব স্তররাজি আছে সেগুলির সম্বন্ধে অজ্ঞ এঁরা কেবল স্থূলেরই ব্যাপারী, তাই মানব জীবনের নব নব কৃষ্টির বিচিত্র রসধারায় এঁরা বঞ্চিত। এঁদের চক্ষে ভারত চীন জাপান পারস্য মিশর আদি প্রাচ্য জাতি জার্ম্মানী আমেরিকা ও রুষেরই সামিল, পার্থ্যকের মধ্যে কেবল ইতস্ততঃ দু’ চারটে মন্দির প্যাগোডা পিরামিড পড়ে আছে মাত্র। ভাবের ও রসের জগতের এই সব সফরীদের—এই সব অতি-পণ্ডিত পুস্তক-বাগীশদের কাছে তুহীনশৃঙ্গ হিমাচল বা জাহ্নবীর রজত ধারার কোন ভাষাই নাই, আল্পস্ গিরিমালা ও টেমস্ নদ এঁদের কাছে পাথর ও জলের জড় খেলা মাত্র।
য়ুরোপের মনীষা চিরদিনই করে চিন্তা ও ধ্যান আর এঁরা সেই চিন্তার কাটেন জাবর। জার্ম্মানী ও রুষের চিন্তাশীল ব্যক্তিরা মানবজাতির ইতিহাসের পাতাগুলি খুলে তার মাঝে ডুবতে জানেন মহাধ্যানে;
৬৪