Whither Indiaর উত্তর
“এই good life” যে কি তার এখানে গবেষনায় ফল নাই, তবে অধিকাংশ লোকে এসম্বন্ধে একমত যে এই কল্যাণপ্রসূ “good life” এর জন্য স্বাধীনতা বা স্বতন্ত্রতা একান্ত আবশ্যক, জাতির জন্য জাতীয় স্বতন্ত্রতা এবং ব্যক্তির জন্য ব্যক্তিগত স্বাতন্ত্র্য। কারণ মানুষের প্রকৃতির যেখানটি আমরা চেপে দিই, সেইখানটিই হয়ে থাকে পঙ্গু ও বিকৃত, অর্থনীতিক দুর্গতি ছাড়াও তাতে প্রসব করে জাতীয় মনের ব্যাধি, তার বিকৃত ধারণা জনিত দুর্ব্বলতা।” জোয়াহির লালজী একথা স্বীকার করলে কি হবে, তিনি বোঝেন না, যে; এত সাধের মস্কো-মার্কা কম্যুনিজম্, ডিক্টেটরী চাপ ও শাসন ছাড়া আর কিছুই নয়। রুষের আদর্শ রূপ ঐ সাম্যবাদ সত্য ও খাঁটি হ’লে কি হবে, তার উপায় ও প্রয়োগ বিধিটি হচ্ছে ভুল; ও-দেশের নির্ম্মম ডিক্টেটরী ডাণ্ডা, সামরিক আদালৎ ও অগ্পু নামক করাল নিষ্ঠুর গুপ্ত পুলিশ লক্ষ লক্ষ মানুষকে চেপে সন্ত্রস্ত করে নির্ম্মম কলে ফেলে এক প্রকার standardised ছাপমারা কল্যাণ প্রসব করছে। স্বতঃস্ফূর্ত্ত স্বাভাবিক বিকাশ বলে সেখানে হয়তো বেশী কিছু নাই। জোয়াহির লাল ভারতকে এমনই একটা কঠোর শাসনযন্ত্রের পেষণ কলে ফেলতে চান। সুভাষচন্দ্রও চেয়ে ছিলেন তাই, তবে সে নিষ্পেষক কল্যাণ-যন্ত্রের নাম ফ্যাসিজম্, কম্যুনিজম্ নয়। ভারতে এই রক্তরাঙা চাপনযন্ত্র প্রবর্ত্তন করবার আগে পণ্ডিতজী একবার মস্কোয় গিয়ে তার mechanised কল্যাণের চাপটা হজম করে এলে ভাল হয়, হয়তো মস্কোর কালাপাহাড়রা তাঁকে একটা মধ্যবিত্ত মনোবৃত্তি প্রসূত মাকাল ফল বলে অচিরেই পরিত্যাগ করবে।
অবশ্য নিছক মুক্তি বলে সংসারে কিছুই নাই, বন্ধন ও মুক্তি উভয়ে মিলে জীবনকে কল্যাণের অভিমুখী করে নিয়ে যায়। নদী থাকে
৭৫