Whither Indiaর উত্তর
রুষের ও আশপাশের বহু জাতির মুখে ঠেঙার গুঁতায় ভরে দিতে চান, তাদের গায়ের জোরে গলাধঃকরণ করাতে চান, তা’ তাদের কৃষ্টি ও জাতীয়তায় যত বৈচিত্র্য যত পার্থক্যই থাকুক না কেন।
তাঁর “ভারত কোন পথে?” শীর্ষক লেখায় পণ্ডিত জোয়াহির লাল বলছেন, “গণসেনা বা জন-সাধারণ যে দিন রাজনীতিতে প্রবেশ করে সেই দিন রাজপ্রাসাদের কূট চক্রান্তের ও যত মজলিস প্যাক্ট ও বোঝাপড়ার আয়ুষ্কাল শেষ হয়ে যায়, অর্থাৎ রাজার মোড়লের মোড়লী যার ফুরিয়ে। আমরা এর সত্যতা কোথায়ও খুঁজে পাই না, কারণ আমরা দেখি মাথার তাজ আর পরিধানের বেশ বা উদ্দি বদলে নতুন নাম নিয়ে আসে সেই পুরাতন রাজা আর মোড়লই, যেমন বৌদ্ধ-যুগের পীতবস্ত্রধারী ভিক্ষুক হলো শাঙ্কর যুগের গৈরিকধারী সন্ন্যাসী। উচ্চচূড় রাজ প্রাসাদে না হোক, ছোট বড় নানা ইমারতে চলেছে ভাল মন্দ চক্রান্ত—মানুষকে পিটিয়ে সোজা করবার জন্য, প্রত্যেক দেশে চলেছে গণবিপ্লবের গুপ্ত সমিতির ফুসফুসানী, আর তারই সঙ্গে সোফিরেট রাশিয়ায় ও ধনিকতন্ত্রী গভর্ণমেণ্টে গভর্ণমেণ্টে পরম মিতালীতে “লীগ অব নেশনে” চলেছে কত না বিচিত্র বোঝা পড়া সল্লা পরমর্শ। চক্রান্ত ও বোঝাপড়া বিনা রাজনীতি সীতাহীন রামায়ণের মতই অপূর্ব্ব সোনার পাথরের বাটি, একথা কি জোয়াহির লালজী বোঝেন না? তিনি আবশ্যক হ’লে কংগ্রেসী ঘরোয়া বৈঠকে দুয়ার দিয়ে গুপ্ত পরামর্শ করেন না কি?
ডিক্টেটর মুসোলিনীর মত পণ্ডিত জোয়াহির লালজী বিশ্বাস করেন, যে, জীবন স্রোত নানা ঘটনার সঙ্ঘাতে সঙ্ঘাতে এক নির্ম্মম ক্রূর ইচ্ছাশক্তির মত আমাদের ঠেলে নিয়ে চলেছে; শুধু এইটুকু পণ্ডিতজী বুঝতে চান না, যে, ঐ দুর্দ্দম ঘটনাচক্র শুধু মুসোলিনী ও পণ্ডিতজীকেই
৭৯