জায়গায় গিয়ে বসবাস করেন। সকলের বড় যদুনাথ চাকরি করতেন ইম্পিরিয়াল সেক্রেটারিয়েটে। জীবনের একটি বড় অংশই তাঁর কেটেছিল সিমলায়। দ্বিতীয় কেদারনাথ চিরকাল কলকাতাতেই কাটিয়েছেন। তৃতীয় দেবেন্দ্রনাথ শিক্ষাবিভাগে সরকারী চাকরি করতেন এবং কার্যকুশলতার গুণে তিনি শেষ পর্যন্ত অধ্যক্ষের পদে উন্নতি লাভ করেন। কার্যোপলক্ষে তাঁকে প্রায়ই এক জায়গা থেকে আর এক জায়গায় বদলি হতে হয়েছে। চাকরি থেকে অবসর নেবার পর তিনি কলকাতায় স্থায়ীভাবে বাস করেন।
আমার বাবার জন্ম হয় ১৮৬০ সালের ২৮শে মে, আর মা ১৮৬৯ সালে (বাঙলা ১২৭৫ সালের ১৩ই ফাল্গুন)। কলকাতার অ্যালবার্ট স্কুল থেকে এনট্রান্স পাশ করে বাবা কিছুকাল সেণ্ট জেভিয়ার্স কলেজ এবং জেনারেল অ্যাসেমব্লিজ ইনস্টিটিউশনে (বর্তমান নাম স্কটিশ চার্চ কলেজ) পড়েন; পরে কটকে গিয়ে র্যাভেনশ কলেজ থেকে বি. এ. পাশ করেন। এরপর আইন পড়তে তিনি যখন কলকাতায় ফিরে আসেন তখন ব্রহ্মানন্দ কেশবচন্দ্র সেন ও তাঁর ভ্রাতা কৃষ্ণবিহারী সেন এবং সিটি কলেজের অধ্যক্ষ উমেশচন্দ্র দত্ত প্রমুখ ব্রাহ্মসমাজের নেতৃবর্গের সংস্পর্শে আসেন। এই সময়ে কিছুকাল তিনি অ্যালবার্ট কলেজে অধ্যাপনা করেন। অ্যালবার্ট কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন তখন কৃষ্ণবিহারী সেন। ১৮৮৫ সালে তিনি কটকে গিয়ে আইনব্যবসায়ে যোগ দেন। ১৯০১ সালে তিনি কটক মিউনিসিপ্যালিটির প্রথম বেসরকারী সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯১২ সালে তিনি বঙ্গীয় ব্যবস্থাপক সভার সদস্য হন এবং রায় বাহাদুর খেতাব পান। তারপর ১৯১৭ সালে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে মতানৈক্যের ফলে তিনি সরকারী উকিল এবং পাবলিক প্রসিকিউটরের পদে