নিয়েছে পশ্চিমে। উত্তরে গায়ের কাছাকাছি যে শালতারুরেখা চোখে পড়ে সেটা বন নয়, একশো গজের চেয়েও অগভীর এলোমেলো শাল গাছের লম্বা একটা কঁকি, ওপাশে ফাকা মাঠ আর ক্ষেত আছে, মাইলখানেকের মধ্যে বাদুলী গাঁ, যেখানকার “বাবরসা” কয়েক বছর আগেও মুখে দিলে গলে যেত। বাদুলী থেকে পুবে এক ক্রোশ দূরে ডিট্ৰিক্ট বোর্ডের রাস্তার প্রথম বাক চোখে পড়ে, খড়পায় যা অদৃশ্য। ওই বাকি থেকে রাস্তাটি সাপের মতো একে বেঁকে গিয়েছে মহকুমার দিকে। পুবের শাল বনও বড় বা খাট বন নয়। রাস্তা থেকে অনেকটা দূরেও DD S DB BB KDDBDB Bi BBS EiY LD DBD DiiiDB মধ্যে বাস এই বনে প্ৰবেশ করে, সাত আট মাইল গিয়ে বনের অপর প্ৰান্ত পাওয়া যায়। এতখানি পথের গা ঘেঁষে দুপাশে থাকে। শুধু শাল -সিদ্ধা, নিশ্চল, ভূমি-প্রোথিত উদ্ভিদ সেনার বিরাট বাহিনীর মতো। খড়পায় এখন সুৰ্যাস্ত ঘটছে । সূৰ্য শালবনের আড়ালে গেলে রোদ ফুরিয়ে শুধু আলো থাকে, SBBDDDD DBLBBB BDB BBDB DBDDBDDBD DDL DD DD SS DD লোকে বলে, সুর্যের নাকি একবার ক্ৰোধ হয়েছিল। আকাশে বাতাসে BBDDD DBLBDS D BDDB BLBDuD BBDDD S DBB BBBDBDLD D দেবতা। তিনি সুৰ্যদেবের ক্ৰোধ শান্ত করলেন । সুৰ্য। হে বিষ্ণু, হে জগৎপতি, আমার ক্ৰোধ সত্য। বিষ্ণু। তোমার ক্ৰোধ সত্য। সুৰ্য। ক্ৰোধ ত্যাগ করলে আমি সত্যভ্ৰষ্ট হব। আমি নিভে যাৰ৷ ” বিষ্ণু। হে সুৰ্য, তুমি সত্য রক্ষা কর। দুই বিন্দু ক্ৰোধ দুই দিবাভাগে সঞ্চিত কর। ক্ৰোধে তোমার উদয় হোক, ক্রোধে তুমি অস্ত যাও। সুর্যের সেই ক্ৰোধে এখানকার মাটি পাথরের মতো শক্ত হয়ে গেছে উর্বর, অকৃপণ মাটি। বর্ষার প্রথম জলধারা মাটিকে নরম করে দিলে è 0 d)
পাতা:ভেজাল - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/১১৫
অবয়ব