বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:ভেজাল - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৫

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

धकांलादन कक्षा মািনকবাবু শক্তিমান লেখক। তবু তঁর সম্বন্ধে এ বিশেষণটা যথেষ্ট শক্তিশালী হল না । আরো বেশি করে বলা উচিত। বেশি। করে বলতে না পারার দরুন সংক্ষেপে বলতে হয়, তিনি অসাধারণ। তার অর্থ এ নয় বে'তিনি অস্বাভাবিক। বরং মানুষের প্রকৃতিতে যা গোপন ও গহননিহিত, দুশোচ্ছদ্য ও দৃঢ়লগ্ন, সহজাত ও অভ্যাস-অধিগত, তাকেই তিনি উদঘাটন করে দেখান। তাই তার দৃষ্টিটা সহজ ও তার ঐশ্বৰ্য-বিলাসে, সভ্যতা-সংস্কৃতিতে, পরিবেশ-প্ৰশাসনে ; যে দিকটা প্রচ্ছন্ন, হয়তো বা কর্দমাক্ত। বাইরে যেটা ত্যাগ, ভিতরে সেটা যাঞ্জা ; বাইরে যেটা উৎসর্গ, ভিতরে সেটা লুব্ধতা। মানিকবাবু শুধু ঘরই দেখেন না, তার সিড়ির খবর নেন, ঘরের আগম-নিৰ্গমের খবর। বহু বৎসরের ধুলোর উপর জমকালো গালচে পাতা হয়েচে, কিন্তু ড্রয়িংরূমের সত্যিকার বর্ণনা করতে গিয়ে ধুলো বাদ দিলে বর্ণনাটাই ভুয়ে! হয়ে যাবে। ডান হাত যখন দান করে তখন সঙ্গে-সঙ্গে বা হাত যে এক হাতের সেবার পাশে আরেক হাতে যে দীন অনুনয় থাকে উন্মুখ হয়ে সেটা একটু বায়ে গিয়ে দাঁড়ালেই দেখা যায়। দেখা যায়, বিরহে ডান চোখ অশ্রুপাত করলেও বঁ। চোখ রেহাই পাবার আনন্দে চকচক করছে। • দেখা যায়, যা ফাঁপা তাই লেফাফাদুরন্ত হয়ে সমাজে সংসারে