বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:ভেজাল - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৫১

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

বেলার মা তাড়াতাড়ি নাতিকে কোলে তুলে নিলেন। আড়া-বাসায় সে রাৱে তাসূ, খেলা জমল না । পিছন দেখে চিনতে পারা যায় এমন রঙচটা দাগ লাগা তাস, তাই নিয়ে খেলতে খেলতে দুদিন আগেও পঞ্চর সঙ্গে গগনের হাতাহাতি হয়ে গেছে। আজ সাড়ে পাচ আনা হেরে যাবার পর কানাই সন্দিগ্ধ হয়ে বললে, “ব্যাটার লেগে মন কঁদে নাকি রে গগন ? তা কি কয়বি বল, এ্যারে কয় কপাল। তোর ব্যাটা বাপ বলবে অন্যকে ৷” গুমা খাওয়া গগন বলুলে, “খুক ! ছুতে ঘেন্না করে, মন কঁদবে! আগে জানলে কি কোলে নিতাম ? আমার হোক, যার হোক, বেজন্ম বটে তো। বামুনের ছেলে, ঘেয়ো কুত্তার গা চাটৰে তো বেজন্মার ईiअ} भांएट्रांत न। भांड अigछ ।” জীবনে প্রথম আসল রক্তে খাটি আগুন ধরে যাওয়ায় গগন স্তম্ভিত হয়ে গেছে। বিয়ের আগে তার রক্তকে বেলারানী যেন শুধু দাহ পদার্থে পরিণত করে রেখেছিল, স্কুলিঙ্গের অভাবে আগুন ধরাতে পারে নি। এবার একেবারে মশাল ছুইয়ে দিয়েছে। প্ৰথমে বোঝা যায় নি। বিকালে টের পাওয়া গিয়েছিল শুধু বাঁঝ আর কিছু নয়। তা, অমান বাঝ পথে ঘাটে কত লাগে। লক্ষ্মীও একদিন লাগিয়েছিল এবং এখনও তার জের চলেছে। কে জানত । তাপের চেয়ে আগুন এত বেশি গরম ! দেবতার মতো, মানুষের মতো আর পশুর মতো একনিষ্ঠ মতি। গত্যন্তর না থাকার সামিল দুরবস্থা । প্ৰথম থেকে বেলারানী যদি এইরকম হত, গগন এমন ব্যাকুল হত। কিনা সন্দেহ। সে হতু জানা কথা, একবার যা জীবনের সীমার বাইরে চলে গিয়েছিল। আরেকবার তাই শুধু চোখে দেখা । পাড়ায় একদিন বিয়ে হল বেলারানীর গা-জালানো মোটাসোটা 8.