বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:ভেজাল - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৫৯

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

আনন্দ উপভোগ করত। বেশি পরিমাণে পচনশীল খাদ্য বাড়িতে এলে পাড়ায় বিলি করার প্রথা আছে। নীরদ যেন আশেপাশের কয়েকটা DD DDD DB DBDBBB DBBB BDD BBDD DDBB DD পাঠিয়ে দিত। ¢ग-जद नि ८१igछ । আপনা থেকেই গেছে । নীরদ আর মদ খায় না'। হৃদয় আর মনটা তার নরম হয়ে গেছে। সত্য কিন্তু সেটা কাউকে মদ ছাড়তে সাহায্য করে না । মদের স্বাদটাই তার কাছে নষ্ট হয়ে গেছে। দেহযন্ত্র খারাপ হয়ে নয়, তার বিশাল দেহটা বরং আগের চেয়ে শক্তিশালীই হয়েছে এখন-মাখায় তার স্বাদ লাগে না মদের। মদ খেলে কেমন সে শিথিল অবশ হয়ে যায়, সমস্ত শরীর থর থর করে কঁপে, মাথাটা সৰ্বক্ষণ আছড়ে পড়তে চায় বুকে । দুর্বল শীর্ণকায়া অনুরূপার সেবা। আর সাহায্যই তখন শুধু তার প্রয়োজন হত। অথচ মদ না খেলে অনুরূপার প্যাঙাসে মুখখানা অত্যাচারে রক্তিম করে দেবার ক্ষমতা তার এখনও আছে ৷ নীরদ একটা কৈফিয়ৎ দেয় ॥-শোনায় উপদেশের মতো ! ‘ছেলেমেয়ে বড় হয়ে গেলে ওসব ছাড়তে হয়। পুরুষ মানুষকে ৷” ‘লুকিয়ে একটু আধটু-?” 'লুকিয়ে ? আরে রাম!' আপন থেকেই গেছে । হৃদয় মন নরম হয়ে এলে পারিবারিক জীবনটা তার বড়ই ভালো লেগে গেল। গোড়ার ছেলেমেয়েগুলি বড় হয়ে ওঠায় নতুন জীবনের বিকাশমুখর পরিবারটিও তখন তার সত্যসত্যই বেশ জমজমাট হয়ে উঠেছে। লেখা-পড়া, গান-বাজনা, খেলাধুলা, ঝগড়া-ঝাঁটি, অভাব-অভিযোগ, আবদার-আহলাদের সে কি সমারোহ বাড়িতে ! মুগ্ধ হয়ে গিয়ে নীরদের মদের পরিমাণ কমতে