—“হ্যাঁ, হ্যাঁ! প্রতিজ্ঞা আমি রাখবই! কারুকে কোন কথাই বলব না! কিন্তু এর পরে আমার বোনের সঙ্গে তোমার বিয়ে হওয়া অসম্ভব! তার চেয়ে আমার বোনকে গঙ্গাজলে ডুবিয়ে মারব! আমি আর তোমার মুখ দেখতে চাই না”—এই ব’লেই অবনী হন্ হন্ ক'রে দালান পেরিয়ে বাড়ীর বাইরে চ'লে গেল!
দিলীপ ঘরের ভিতর থেকে সব দেখলে, সব শুনলে। কিন্তু বাইরে বেরিয়ে ওদের গোলমালে যোগ দিতে তার ইচ্ছা হ'ল না। ভৈরবের সঙ্গে কোন কারণে অবনীর ঝগড়া হয়েছে এবং সে তার বোনের সঙ্গে ভৈরবের বিয়ের সম্পর্ক ভেঙে দিলে, দিলীপ এ-টুকু বেশ বুঝতে পারলে। তারপর সে জামাকাপড় প'রে বেরিয়ে পড়ল এবং বাইরে গিয়েও এই কথাই তার বারংবার মনে হ’তে লাগল, ভৈরবের সঙ্গে অবনীর এমন ঝগড়া হ'ল কেন?
পরদিনের কথা। সেদিন ছিল ‘ইলিয়ট্ সিল্ডের ফাইনাল্'। গড়ের মাঠে মোহনবাগান গ্রাউণ্ডে নানান-কলেজের ছাত্ররা এসে গগনভেদী কোলাহলে উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠেছে। দিলীপদের কলেজের সঙ্গেই আজ মেট্রোপলিটান্ কলেজের প্রতিযোগিতা, খেলার আগেই দুই পক্ষের পৃষ্ঠপোষকদের মধ্যে রীতিমত একটা বাক্যযুদ্ধ হয়ে গেল! চলচ্চিত্রে সেই দৃশ্যটি গ্রহণ করলে দর্শকরা চমৎকার একটি কৌতুক-নাট্যের রস উপভোগ করতে পারে!
খেলার শেষে দিলীপ যখন ‘ইউনিফরম্’ ছেড়ে নিজের বাড়ীমুখো হয়েছে, কোথা থেকে হঠাৎ অবনী এসে তার সঙ্গ নিলে।
অবনী বললে, “ভাই দিলীপ, সেদিনকার ব্যাপার কতকটা তুমিও