পাতা:মহর্ষি মনসুর - মোজাম্মেল হক.pdf/৬২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

8৭ চতুৰ্থ পরিচ্ছেদ পদে বিরাজিত ছিলেন । তিনি সমাগত ব্যক্তিৰবৰ্গের প্রশ্ন শ্ৰবণে। প্ৰথমে নিরাত্তর হইলেন, তৎপরে পুনঃ প্রশ্নে মলিনমুখে কহিলেন, “মনসুরের প্রকৃত চরিত্ৰ আমার জ্ঞানের অতীত, সুতরাং তৎ সম্বন্ধে কোন অভিমত ব্যক্ত করিতে অক্ষম ।” ইহা শুনিয়া সকলে হতাশ-মলিন মুখে আসিয়া উজীরের শরণাপন্ন হইলেন । খলিফার উজির হামিদ ইবনে আল আবাস ঃ ধৰ্ম্মভীর ও অতি সরলচেতা ব্যক্তি ছিলেন । সমাগত জনমণ্ডলী মৰ্ম্মাহত হইয়া মনসুরের ধৰ্ম্মবিগহিত উক্তি ও তজনিত অনিষ্টের কথা করুণ কণ্ঠে বিবৃত করিলে তিনি আকুল উত্তেজনার সহিত মহৰ্ষির বিরুদ্ধে দণ্ডায়মান । হইলেন এবং কহিলেন, “পবিত্ৰ ইসলামকে অক্ষুরাপে প্ৰতিষ্ঠিত রাখিতে হইলে এই ধৰ্ম্মদ্ৰোহীর শিরশেছদন করাই কৰ্ত্তব্য ।”কিন্তু আলেমগণ সেই ধৰ্ম্মোন্মত্তের বিরুদ্ধে পৃথক ভাবে ফতোয়া দিতে অসম্মত, ইহা বুবিয়া তিনি একটী সভা আহবান করিলেন । সভায় সাধারণ জনগণ এবং বাগদাদের যাবতীয় ধৰ্ম্মাচাৰ্য্য সমবেত হইলেন, মনসুরও আসিলেন । তাহার সহিত ঘোর তৰ্ক—অশেষ বাদানুবাদ চলিতে লাগিল । কিন্তু তেজস্বী মনসুর কোনক্ৰমেই স্বীয় পথভ্ৰষ্ট হইবার পাত্ৰ নহেন, তিনি আপন উক্তি প্ৰত্যাহার করিলেন না । তথন উজির ও সভাস্থ ব্যক্তিগণ উত্তেজিত হইয়া উঠিলেন ; ফতোয় লিখিতে আদেশ হইল। বাগদাদ-ধৰ্ম্মাধিকরণের বিচারপতি কাজী ইবনে

  • পুস্তকান্তরে ‘ইবনে ফরাত’ লিখিত হইয়াছে ।