পাতা:মহর্ষি মনসুর - মোজাম্মেল হক.pdf/৭৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

মহৰ্ষি মনসুর ৬8 পতঙ্গের মিলন-দীপ্তিতে তৃপ্তি সাধন কর—অধমকে তোমার প্ৰেমিক বলিয়া গ্ৰহণ কর । হো হো হো ! এ অাবার কি ? এ আবার কি খেলা ! মিলন হইতে হইতে আবার নিবৃত্তি ! কৌশলি ! এ আবার তোমার কি কৌশল ? না—আর না । ও খেলা রাখ—তোমার ও অামার মধ্য হইতে পাৰ্থক্যের পদা। উঠাইয়া লও, আকাশ-পাতাল এক হইয়া যাউক—আমার অমিত্বটুকু তোমাতেই বিলীন হউক ! তোমার সঙ্গ লাভ করিয়া তোমার পথে থাকিয়া প্ৰেমে মজিয়া জগৎ বিরুদ্ধ হয়— হউক, তোমার প্রদত্ত এ ক্ষুদ্ৰ প্ৰাণ তোমার নামে উৎসৰ্গ করিতে—ধূলিময় এ অসার দেহকে শূলাগ্ৰে সমৰ্পণ করিতে আমি তিলমাত্ৰ কুষ্ঠিত নহি, বরং সে কাৰ্য্য সমধিক আনন্দের, সমধিক গৌরবের বলিয়া আমি বিবেচনা করি । অতএব হে মালেক ! হে সন্তাপিতের শান্তিদাতা ! হে বাঞ্ছাকল্পতরু ! অামার মনোবাঞ্ছা পূৰ্ণ কর।” তপোধন এই প্রকারে উপাসনা সাঙ্গ করিলেন । কথিত আছে, এক ব্যক্তি তাহাক প্ৰাৰ্থনাকালে করুণ-কাতরে অনু শোচনা করিতে দেখিয়া বিদ্বেষ-বুদ্ধি বশতঃ অবজ্ঞাভাবে বিকৃত স্বরে কহে, “দরবেশ ! আজি অাপনাকে রক্তমাংসময় মরণশীল মানবের ন্যায় কাৰ্য্য করিতে দেখিয়া অতীব বিস্মিত হইয়াছি । বিধাতার অখণ্ডনীয় লিপি-নিয়মাধীন মন্দমতি মানব অমরা আল্লাহ তা’লার আরাধনা করিতে অবশ্যই বাধ্য। কিন্তু আপনি যখন স্বয়ং ‘আনাল হক্‌’ বলিয়া ঐশিক দাবী করিতে