পাতা:মহর্ষি মনসুর - মোজাম্মেল হক.pdf/৯২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

৭৭ সপ্তম পরিচ্ছেদ আল্লাহ, অতি মহান, সৰ্ব্বশক্তির আধার, অক্ষয়, অদৃশ্য ও জ্যোতিৰ্ম্ময়। তাহার সদৃশ কেহ বা কিছুই নাই । তাহার দান বা সৃষ্ট পদাৰ্থ মনুষ্য, পশু, পক্ষী, তর, লতা, তৃণ, বায়ু, িসন্ধু, সরিৎ, মেঘ, বিদুৎ, বজ, গিরি, নদী, বন, স্বৰ্গ, মৰ্ত্তা, শূন্য, দিবা, রজনী, চন্দ্ৰ, সূৰ্য্য, তারকা প্রভূতি । তবে বল দেখি, এমন মহিমময় মহাশক্তির দাবী করা—“তৎসদৃশ হইতে যাওয়া কি পাগলের প্রলাপ নহে ? রক্তমাংস-অস্থি মজা-গঠিত অচিরদেহধারী মনুষ্যের পক্ষে কি ইহা কোনক্ৰমে শোভা পায় ? আর যদি তোমার উক্তি যুক্তিযুক্ত ও ন্যায়ানু মোদিত হইত, তাহা হইলে নরের অনন্যশরণ রসুল-করিম হজরত মোহাম্মদ মোস্তফা ‘শেরে কী’ অৰ্থাৎ খোদা-তা’লার অংশী-স্থাপন করা বা কোন বস্তু বা ব্যক্তিকে তত্তল্য জ্ঞান করা মহাপাপ বলিয়া কদাচ নিষেধ করিয়া যাইতেন না । তিনি ধৰ্ম্মপ্ৰাণ পয়গম্বরগণের অগ্ৰগণ্য মহাপ্ৰাণ পুরুষ ,—সংখ্যাতীত নক্ষত্রের মধ্যে সিম্বোজল জ্যোতিঃপূৰ্ণ অকলঙ্ক শশধর স্বরুপ । আহা ! যে পূৰ্ণ চন্দ্ৰেৱ নিৰ্ম্মল আলোকে অখিল বিশ্ব আলোক প্ৰাপ্ত, পবিত্ৰ কোরআনের বিধি এবং ভঁাহার আজ্ঞা অবহেলন করা যে কত দূর অন্যায় ও দূষণীয় কাৰ্য্য, তাহা কি তুমি বুঝিতে পারিতেছ না ? তাই পুনঃ বলিতেছি,—স্নেহভাজন ! যদি বুদ্ধিমান হও, অবিলম্বে এই পথ পরিত্যাগ কর ; হজরত নুর নবীর পথানুসরণ করিয়া আত্মকল্যাণে রত থাক।” এই কথা শ্ৰবণ করিয়া প্রেমোন্মত্ত মনসুর উন্নতশীৰ্ষে চক্ষু