পাতা:মহাত্মা কালীপ্রসন্ন সিংহ.djvu/২৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


• leخ জগু স্বাস গঠনান্তে বিদায় গ্রহণ করেন। র্তাহার সমসাময়িক বাঙ্গালীদিগের মধ্যে র্তাহার সমকক্ষ লোক অধিক ছিলেন না। র্তাহার কৃত অনেক কাযের কথা আমরা বিস্তুত হইতেছিলাম। অধ্যাপক কৃষ্ণকমল ভট্টাচাৰ্য্য মহাশয় আমাদিগকে অনেক কথা স্মরণ করাইয়া দিয়াছেন। আর র্তাহার চরিতকার ঐযুত মন্মথনাথ ঘোষ মহাশয় বহু যত্নে—ৰহু শ্রমে পুরাতন কথার আলোচনা করিয়া অনেক বিস্তৃত কথার উদ্ধার করিয়া বাঙ্গালীর ধন্যবাদ অর্জন করিয়াছেন। সে সব কথার আলোচনা— কালীপ্রসরের কৰ্ম্মবহুল জীবনের সকল বিভাগের সমালোচনা আমাদের অভিপ্রেতও নহে—মুসাধ্যও নহে। বাঙ্গাল সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকরূপে তিনি যে সব কায করিয়াছিলেন, সে সকলের আলোচনাও আমরা করিব না। আমরা তাহার মধ্যে কয়টির উল্লেখ করিয়া নিরস্ত হইব। মধুসূদন অমিত্রাক্ষরে কাব্য রচনা করিলে বাঙ্গালার সংস্কৃতসেবী পণ্ডিতসমাজে বিষম বিক্ষোভ আত্মপ্রকাশ করিয়াছিল। সংস্কৃত ভিন্ন অন্য ভাষায় যে উৎকৃষ্ট কাব্য রচিত হইতে পারে না—এই বিশ্বাস তাহারা ধৰ্ম্মবিশ্বাসের মত পবিত্র মনে করিতেন। নব্য সমাজে মধুসূদনের কাব্যের আদর তাহদের সেই বিশ্বাসে দারুণ আঘাত করিয়াছিল। আবার পয়ার ত্রিপদীর ধষ্ঠাত্মক মিলন-মাধুৰ্য্য-মুগ্ধ পাঠকগণ অমিত্রছন্দের প্রবর্তনে বাঙ্গালা কবিতার সর্বনাশসূচনা দেখিয়া শিহরিয়া উঠিয়াছিলেন। তাহার উপর য়ুরোপীয় সাহিত্যে সুপণ্ডিত মধুসূদনের অমর কাব্যে বিদেশী ভাবের ও রীতির প্রাচুর্য্য এবং সংস্কৃত কাব্যরীতির ও কবিপ্রসিদ্ধির অবহেলা—সেকালের লোকদিগের ক্ষিপ্ত করিয়া তুলিয়াছিল। তাহদের সেই চাঞ্চল্যপরিচয় সে সময়ের পত্রাদিতে দেখিতে পাওয়া যাইবে । মধুসূদনের প্রতি যে বিরূপবাণ বর্ধিত হইয়াছিল, তাহার নমুনা রামগতি ন্যায়রত্ন মহাশয় তীয় সাহিত্য