পাতা:মহাত্মা কালীপ্রসন্ন সিংহ.djvu/৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ه/و তিলক রঘুনন্দন ; এই সময়ে চৈতন্যদেব ; এই সময়েই বৈষ্ণব গোস্বামীদিগের অপূৰ্ব্ব গ্রন্থাবলী—চৈতন্য দেবের পরগামী অপূৰ্ব্ব বৈষ্ণব সাহিত্য। পঞ্চদশ ও ষোড়শ খৃষ্ট শতাব্দীর মধ্যে ইহাদের সকলেরই আবির্ভাব, এই দুই শতাব্দীতে বাঙ্গালীর মানসিক জ্যোতিতে বাঙ্গালার যেরূপ মুখোজ্জ্বল হইয়াছিল, সেরূপ তৎপূৰ্ব্বে বা তৎপরে আর কখনও হয় নাই।” দ্বিতীয় প্রদীপ্তির সময় যাহার মশালের আলোক অত্যুজ্জ্বল দেখাইয়াছিল, সেই সাহিত্যক্ষেত্রে সব্যসাচী সাহিত্যিক বঙ্কিমচন্দ্র বিনয়প্রযুক্ত যাহাই বলুন না কেন, আমরা বলিব, উনবিংশ শতাব্দীতে আর একবার বাঙ্গালীর মানসিক জ্যোতিতে বাঙ্গালার মুখোজ্জ্বল হইয়াছে। এই দ্বিতীয় উদ্দীপ্তির কারণও অনেকাংশে প্রথম উদ্দীপ্তির কারণের অনুরূপ। সে কথার আলোচনা আমরা পরে করিব । প্রথম উদ্দীপ্তির বিবিধ কারণ ছিল, সন্দেহ নাই ; কিন্তু সাম্যবাদমূলক মুসলমান ধর্মের প্রচার যে তাহার অব্যবহিত কারণ তাহ অস্বীকার করিবার উপায় নাই। বাঙ্গালায় পাঠান শাসন প্রতিষ্ঠিত হইবার পূৰ্ব্বে মুসলমান ধৰ্ম্মপ্রচারকদিগের আবির্ভাব হইয়াছিল। খৃষ্টীয় চতুর্দশ শতাব্দীতে এইরূপ বহু দরবেশ বঙ্গদেশে আসিয়াছিলেন। র্তাহাদিগের মধ্যে ঢাকার বাবা আদমও ঐহট্টের সাহ জালাল বিখ্যাত। সে সময় বাঙ্গালার সামাজিক অবস্থায় কতকগুলি বৈশিষ্ট লক্ষিত হইত। যে বৌদ্ধধৰ্ম্ম সমগ্র এসিয়ায় ভারতীয় শিল্প ও সভ্যতা ব্যাপ্ত করিয়াছিল ও দুলৰ্ভঘ্য হিমালয় অতিক্রম করিয়া এসিয়ার একত্ব প্রতিষ্ঠিত করিয়াছিল, সেই বৌদ্ধধৰ্ম্ম এককালে সমস্ত বঙ্গে বিস্তৃতি লাভ করিয়াছিল। য়ুয়াং-চোয়াং বৌদ্ধবিদ্বেষী বলিয়া যে হিন্দু রাজার বুদ্ধগয়ায় অনুষ্ঠিত অত্যাচারবিবরণ বিবৃত করিয়াছেন, সেই শশাঙ্কের "মৃত্যুর অব্যবহিত পরেও বঙ্গে