পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/১০৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১০০ মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত। দ্বিতীয় কথা, উপাসক কে ? যে কোন ব্যক্তি ভদ্রভাবে, শ্রদ্ধার সহিত উপাসনা করিতে আসিবেন তাহারই জন্য রামমোহন রায়ের উপাসনা মন্দিরের দ্বার উন্মুক্ত। জাতি, সম্প্রদায়, ধৰ্ম্ম, সামাজিক পদ, এ সকলের কিছুই বিচার নাই। যে কোন সম্প্রদায়, যে কোন ধৰ্ম্ম, যে কোন অবস্থার লোক হউন না কেন, এখানে পরমেশ্বরের উপাসনা করিতে সকলেরই সমান অধিকার। এ সম্বন্ধে টুষ্টউড পত্রে লিখিত হইয়াছে।

  • * * “For a place of public meeting of all sorts and descriptions of people, without distinction, as Bhall behave and conduct themselves in an orderly, Sober, religibus and devout manner.”

তৃতীয় কথা, উপাসনাপ্রণালী কি ? কোন প্রকার ছবি, প্রতিমূৰ্ত্তি বা খোদিত মূৰ্ত্তি ব্যবহৃত হইবে না। নৈবেদ্য, বলিদান প্রভৃতি কোন সাম্প্রদায়িক অনুষ্ঠান হইবে না। কোন প্রাণীহিংসা হইবে না। কোন প্রকার আহার পান হইবে না। উপাসনাগৃহের মধ্যে এ সকল কিছুই হইতে পারবে না; সুতরাং উপাসনা প্রণালীতেও সে সকল নিষিদ্ধ হইয়াছে, বলিতে হইবে। যে কোন জীব বা পদার্থ কোন মনুষ্য বা সম্প্রদায়ের উপাস্ত, এখানকার বক্তৃত, বা সংগীতে বিক্রপ, তাচ্ছল্য বা ঘৃণার সহিত তাহার বিষয় উল্লেখ করা হইবে না। এ সকল অভাব পক্ষে। ভাব পক্ষে এই যে, যাহাতে জগতের স্রষ্ট ও পাতা পরমেশ্বরের ধ্যান ধারণার উন্নতি হয় ; প্রেম, নীতি, ভক্তি, দয়, সাধুতার উন্নতি হয়, এবং সকল ধৰ্ম্ম-সম্প্রদায় ভুক্ত