পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/১০৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১০২ মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত। made, or used in such worship, but such as have a tendeucy to the promotion of the contemplation of the Author and Preserver of the Universe, to the promotion of charity, morality, piety, benevolence, virtue and strengthening of the bonds of union between men of all religious persuasions, and creeds, * * * - ব্রাহ্মসমাজ-প্রতিষ্ঠা সম্বন্ধে রাজ রামমোহন রায়ের অভিপ্রায় কি, টুষ্টউড-পত্ৰ মনোযোগ পুৰ্ব্বক পাঠ করিলেই তাহ সুস্পষ্ট বুঝিতে পারা যায়। তথাচ আমরা তদ্বিষয়ে একটু আলোচনা করিব। রামমোহন রায়ের প্রধান ভাব । রামমোহন রায় নূতন কি করিয়া গিয়াছেন ? নিরাকার পরমেশ্বরের উপাসনা কি নূতন ? সহস্ৰ সহস্ৰ বৎসর পূৰ্ব্বে ভক্তিভাজন মহর্ষিগণ নিরাকার ব্রহ্মকে “করতলন্যস্ত আমলকবং” অনুভব করিয়াছিলেন। নিরাকার ব্রহ্মবিষয়ক উপদেশে উপনিষদ পূর্ণ। তবে রামমোহন রায় নূতন কি করিয়া গিয়া ছেন ? জাতি, বর্ণ, সম্প্রদায় নিৰ্ব্বিশেষে নিরাকার পরমেশ্বরের সাৰ্ব্বভৌমিক উপাসনাপ্রচার, এইটিই তাহার নূতন। রামমোহন রায় বলিলেন, “ব্রাহ্মণ কি চণ্ডাল, হিন্দু কি যবন, সকলে এস, ভ্ৰাতৃ বন্ধনে বদ্ধ হইয়া এক নিরাকার পরমেশ্বরের উপাসনা কর। যে জাতি, যে বর্ণ, যে সম্প্রদায়ভুক্ত লোক কেন হও না, সকলে এস, সাৰ্ব্বভৌমিকভাবে এক মাত্র নিরাকার, অগম্য, অনাদ্যনন্ত পরব্রহ্মের পূজা কর।”