পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/১১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৬ মহাত্মা রাজ রামমোহন রায়ের জীবনচরিত। কাৰ্য্য পরিত্যাগ করিয়া বৈষয়িক কাৰ্য্য ও উন্নতির অনুসরণ করেন। তাহার বংশধরেরা সেই অবধি তাহারই দৃষ্টান্ত অনুসারে চলিয়া আসিয়াছেন। রাজসভাসদুদিগের ভাগ্যে সচরাচর যেরূপ হইয়া থাকে, তাহাদিগেরও সেইরূপ অবস্থার বৈপরীত্য হইয়া আসিয়াছে ; কখন সন্মানিত হইয়া উন্নতি লাভ, কখনও বা পতন ; কখন ধনী, কখন মির্ধন, কখন সফলতা লাভে উৎফুল্ল, কখন বা হতাশ্বাসে কাতর। কিন্তু আমার মাতামহ বংশীয়ের কৌলিক ধৰ্ম্মানুসারে ধৰ্ম্মযাজক ব্যবসায়ী ; এবং উক্ত ব্যবসায়ীগণের মধ্যে র্তাহাদিগের পরিবারের অপেক্ষী উচ্চতর পদবীস্থ অপর কেহই ছিলেন না। র্তাহারা বর্তমান সময় পৰ্য্যন্ত সমভাবে ধৰ্ম্মানুষ্ঠান ও ধৰ্ম্মচিন্তাতে অনুরত ছিলেন। সাংসারিক আড়ম্বরের প্রলোভন ও উচ্চাকাঙ্ক্ষার আগ্রহ অপেক্ষা র্তাহারা মানসিক শান্তি শ্রেয়স্কর জ্ঞান করিয়া আসিয়াছেন। “আমার পিতৃবংশের প্রথা ও আমার পিতার ইচ্ছানুসারে আমি পারস্ত ও আরব্য ভাষা শিক্ষা করিয়াছিলাম। মুসলমান রাজসরকারে কার্য্য করিতে হইলে উক্ত দুই ভাষার জ্ঞান একান্ত প্রয়োজনীয়। আমার মাতামহ বংশের প্রথানুসারে আমি সংস্কৃত ও উক্ত ভাষায় লিখিত ধৰ্ম্মগ্রন্থ সকল অধ্যয়নে নিযুক্ত হই; হিন্দু সাহিত্য, ব্যবস্থা ও ধৰ্ম্মশাস্ত্র সকলই উক্ত ভাষায় লিখিত। : "ষোড়শ বৎসর বয়সে অামি হিন্দুদিগের পৌত্তলিকতার বিরুদ্ধে একখানি পুস্তক রচনা করিয়াছিলাম। উক্ত বিষয়ে আমার মতামত এবং ঐ পুস্তকের কথা সকলে জ্ঞাত হওয়াতে