পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/১১৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১০৮ মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত। ও নেতা মহাপুরুষের মুখপানে তাকাইয়া সমুদয় সহ করিতে ছিলেন। লোকবল, অর্থবল, আড়ম্বর, এ সকলের কিছুই নাই। ধৰ্ম্মসভার উন্নতি ও আড়ম্বর দেখিয়া অনেকে বলিতে লাগিল যে, ব্রহ্মসভা আর অধিককাল স্থায়ী হইবে না। বাস্তবিক সে সময়ের অবস্থা দেখিয়া কে মনে করিতে পারিত যে, সকল প্রকার বাধা বিঘ্ন অতিক্রম করিয়া ব্রাহ্মসমাজ, উন্নতি পথে ক্রমশঃ অগ্রসর হইবে —বালুকাকণা-সন্নিভ বীজকণা হইতে বটবৃক্ষ উৎপন্ন হইবে। সাংসারিক ভাবে দেখিলে ব্রহ্মসভারদল সকল বিষয়ে ধৰ্ম্মসভারদলের অপেক্ষা হীন ও নিকৃষ্ট। কিন্তু এক রামমোহন রায়ের প্রতিভা সমগ্র বঙ্গভূমিকে বিকম্পিত করিয়া তুলিয়াছিল। কলিকাতায় ব্রহ্মসভা ও ধৰ্ম্মসভার কথা লইয়া যথা তথা আন্দোলন। এক এক দিন জনরব উঠিত যে ব্রহ্মসভা ধৰ্ম্মসভার নিকট সম্পূর্ণ পরাস্ত হইয়া গিয়াছে। আবার কোন দিন বা ঠিক্‌ তাহার বিপরীত প্রকার জনরব উঠিত যে, রামমোহন রায়ের নিকট ধৰ্ম্মসভা পরাভব স্বীকার করিয়াছে, আর উহা মস্তক তুলিতে পারিবে না । রামমোহন রায়ের এক জন অনুগত শিষ্য ব্রহ্মসভা ও ধৰ্ম্ম সভার বিষয় এইরূপ বলিয়াছেন;—“র্তাহার (রাজা রাধাকান্ত দেবের ) একজন অনুচর শ্ৰীযুক্ত ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় ধৰ্ম্ম সভার সম্পাদক হইয়া ঘরে ঘরে রামমোহন রায়ের ও ব্রাহ্মসমা জের নিন্দাবাদ করিয়া বেড়াইতে লাগিলেন এবং ব্রাহ্মসমাজে প্রবেশ করিতে সকলকে নিষেধ করিলেন। যাহারা তাহার