পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/১১৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১১০ মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত। রামমোহন রায়ের কার্য্য ও হিন্দু সমাজের তৎকালীন অবস্থাসম্বন্ধে শ্ৰীযুক্ত দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর মহাশয়ের উক্তি । ভক্তিভাজন শ্ৰীযুক্ত বাবু দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর মহাশয় তাহার একটা বক্তৃতায় হিন্দুসমাজের তৎকালীন অবস্থা ও রামমোহন রায়ের কার্য্যসম্বন্ধে যাহা বলিয়াছেন, আমরা নিয়ে উদ্ধত করিলাম। “প্রথমতঃ ব্রাহ্মসমাজের কথা মনে হইলেই এই দেশের প্রথম বন্ধু রাজ রামমোহন রায়কেই স্মরণ হয়। র্তাহার শরীর যেমন বলিষ্ঠ ছিল, বুদ্ধিও তেমনি সারবান ছিল। শ্রদ্ধা ভক্তি হৃদয়ের ধনও তাহার সেই প্রকার ছিল। এখন প্রথমেই র্তাহার মুখশ্ৰী আমার চক্ষের সমক্ষে আবিভূত হইতেছে। তার ভক্তি শ্রদ্ধাতে উজ্জল মুখ, তার সেই উদার ভাব, সমুদয় যেন প্রত্যক্ষ করিতেছি। তার শরীরের বল, মনের বীর্য্য, হৃদয়ের ভাব সকলই অনুরূপ। ধৰ্ম্মের উন্নতির জন্য তিনি এখানে উদিত হন । তিনি জীবনের প্রথম অবধি শেষ পৰ্য্যন্ত একাকী অসংখা প্রকার পৌত্তলিকতার সহিত নিরন্তর যুদ্ধ করিলেন এবং সকলকে পরাভূত করিয়া অবশেষে গঙ্গাস্রোতের উপর এই সমাজরূপ জয়স্তম্ভ নিখাত করিলেন। * * * তিনি যে সময়ে উৎপন্ন হইয়াছিলেন, সে সময়কার ভীষণ সামাজিক ভাব ও অবস্থা মনে হইলে হৃৎকম্প উপস্থিত হয় । তখন অন্ধকারের কাল, দ্বিপ্রহর রজনীর কাল ; এখন আমরা সে সময়ের ভাব বুঝিয়াও বুঝাইতে