পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/১১৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১১২ মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত। পনের জন্য করিতে হইয়াছিল। একদিনের জন্ত নয়, এক মাসের জন্য নয়, কিন্তু ষোড়শ হইতে উনষষ্ঠিবৎসর পর্য্যন্ত ইহাতে সমান ভাবে তাহার যত্ব ছিল। র্তাহার সেই যত্নের ফল দেখিয়া কি আমাদের উৎসাহ বৰ্দ্ধন হইতেছে না? যে মহাত্মা আপনার হৃদয়ের শোণিত শুষ্ক করিয়া ব্রাহ্মধৰ্ম্মের প্রথম পথ আবিষ্কার করিয়া দিয়াছেন, আমরা যেন তাহার দৃষ্টান্তের অনুকরণ করি। * * * * যখন কলিকাতায় তিনি প্রথম বাস করেন, যখন তিনি ১৭৩৬ শকে একাকী বিদেশী উদাসীনের ন্তায় এখানে আইলেন, তখন কে র্তাহার সহযোগী হইয়া সাহায্য দিতে পারে ? তিনি স্বীয় বুদ্ধিবলে ও ধৰ্ম্মের অনুরাগে বিষয়ী লোকদিগকে আপনার পথে আকর্ষণ করিয়াছিলেন। যখন প্রথম তিনি কলিকাতা নগরে আইলেন, তখন লোকের তাহাকে ধৰ্ম্মচ্যুত,ধৰ্ম্মভ্রষ্ট, নরকে পতিত বলিয়া তিরস্কার করিত: তাহার মুখ দর্শন করিতে নাই, নাম উচ্চারণ করিতে নাই, এই প্রকার বাক্য সকল তাহার প্রতি প্রয়োগ করিত। তার বি এমন বল ছিল যে, সেই বলে লোকের হৃদয় ও মন আকর্ষণ কুরিলেন । কিন্তু দেখা যাইতেছে যে, সে সময়কার কলিকাতার ক্ষমতাপন্ন অনেক বড়মানুষ র্তাহার সহচর ছিলেন । র্তার সঙ্গে বিষয়ীদিগের কিসের সম্বন্ধ ছিল ? আপনার ধৰ্ম্মমূৰ্বিদ্বার তিনি তো সকলকে বশীভূত করিতেনই, তদ্ব্যতীত তিনি নানা প্রকারে বিষয়ীদিগের বিষয়ের উন্নতি করিয়া দিতেন এবং বিস্ত্রীরা বিনিময়ে কৃতজ্ঞ হইয় তাহার ধৰ্ম্মপ্রচারকার্য্যে সাহায্য করিতেন। ধৰ্ম্মের উন্নতি তাহদের লক্ষ্য ছিল না, কিন্তু