পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/১২৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১২০ মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত। হইয়াছিল। এই পুস্তকে বলপূৰ্ব্বক সতীদাহের কয়েকটা ভয় স্কর ঘটনা বর্ণিত হইয়াছে। সতীদাহ প্রথার বিরুদ্ধে পুস্তকপ্রচার। রামমোহন রায় কলিকাতায় আসিয়া সহমরণ প্রথার বিরুদ্ধে ইংরেজী ও বাঙ্গালা ভাষায় কথোপকথনচ্ছলে গ্ৰন্থরচনা করিলেন এবং তাহ নিজব্যয়ে মুদ্রিত করিয়া দেশের সর্বত্র বিনামূল্যে বিতরণ করিলেন। রামমোহন রায় সহমরণ বিষয়ে ক্রমে ক্রমে তিনখানি পুস্তক প্রচার করেন। প্রথম দুইখানি সহমরণপ্রবর্তক ও নিবৰ্ত্তক দুই ব্যক্তির মধ্যে কথোপকথনচ্ছলে লিখিত। প্রথম পুস্তকের নাম “প্রবর্তক ও নিবৰ্ত্তকেয় প্রথম সংবাদ।” দ্বিতীয় পুস্তকের নাম “প্রবর্তক ও নিবৰ্ত্তকের দ্বিতীয় সংবাদ । * “বিপ্রনাম এবং “মুগ্ধবোধচ্ছাত্র” নামধারী দুই ব্যক্তির পত্রের উত্তরে তিনি তৃতীয় পুস্তক লিখিয়াছিলেন। প্রথম পুস্তক প্রকাশের শক আমরা জানিতে পারি নাই। দ্বিতীয় পুস্তক ১৭৪১ শকে এবং তৃতীয় পুস্তক ১৭৫১ শকে মুদ্রিত হইয়াছিল। এই পুস্তকত্রয়ের সারমর্ম এই যে, সমস্ত শাস্ত্রেই কাম্যকৰ্ম্ম নিন্দিত হইয়াছে, সহমরণ কাম্য কৰ্ম্ম, সুতরাং শাস্ত্রের

  • রামমোহন রায় এই দ্বিতীয় পুস্তকের ইংরেজী অনুবাদ মাকুইস অব হেষ্টিংসের সহধাৰ্থনীর নামে উৎসর্গ করিয়াছিলেন। গবর্ণমেণ্ট এবং সাধারণতঃ রাজকৰ্ম্মচারিদিগের মতপরিবর্তনের জন্ত, রামমোহন রায় উহার প্রথম ও দ্বিতীয় উভয় পুস্তকেরই অনুবাদ ইংরেজীতে প্রকাশ করেন । তৎপরে সতীদাহ বিষয়ে উাষ্ঠীর সমুদয় যুক্তির সার মর্থ লিখিয়া ইংরেজী ভাষার একখানি তৃতীয় পুস্তক প্রকাশ করেন ।