পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/১২৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলন। ১২১ প্রকৃত তাৎপৰ্য্য অনুসারে উহ। অকৰ্তব্য। তিনি বহুল শাস্ত্রীয় প্রমাণ অনুসারে প্রতিপন্ন করিয়াছিলেন যে, সহমরণ অপেক্ষা ব্রহ্মচৰ্য্য শ্রেষ্ঠ কার্য্য । সতীদাহ বিষয়ে তর্কযুদ্ধ ও আন্দোলন। কুসংস্কারান্ধ প্রচীন তন্ত্রের লোকদিগের ক্রোধের ইয়ন্ত৷ থাকিল না। রামমোহন রায়ের গ্রন্থের প্রতিবাদ করিয়া উত্তর বাহির হইল। ঘোরতর তর্কযুদ্ধ চলিতে লাগিল। তিনি প্রতিপন্ন করিলেন যে, হিন্দু শাস্ত্রানুসারে পতানুগমন অবশু কৰ্ত্তব্যের মধ্যে পরিগণিত নহে। তাহার বিপক্ষগণ বিচারে সম্পূর্ণরূপে পরাভূত ও নিরুত্তর হইলেন। - আমরা বলিয়াছি যে, যে সকল স্ত্রীলোক সহমৃতা হইতেন, তাহারা যে উক্ত কাৰ্য্য সম্পূর্ণ স্বাধীন ভাবে করিতেন, ইহা সতা নহে। এ সম্বন্ধে রাজা রামমোহন রায় কি বলেন, পাঠকবর্গ জানিতে ইচ্ছা করিতে পারেন। তিনি সহমরণ বিষয়ে যে সকল পুস্তক প্রকাশ করিয়াছিলেন তন্মধ্যে দুইখানি, নিবৰ্ত্তক ও প্রবর্তক, এই দুই ব্যক্তির মধ্যে কথোপকথনচ্ছলে লিখিত । আমরা তাহা হইতে কয়েক পংক্তি উদ্ধৃত করিলাম । বলপ্রয়োগ বিষয়ে রামমোহন রায়ের উক্তি । “নিবৰ্ত্তক। তুমি এখন যাহা কহিতেছ, সে অতি অন্যাঘ্য। ঐ সকল বাধিত বচনের দ্বারা এরূপ আত্মঘাতে প্ৰবৰ্ত্ত করান সৰ্ব্বথা অযোগ্য হয়। দ্বিতীয়তঃ ঐ সকল বচনেতে এবং বচন৷ মুসারে রচিত সংকল্প বাক্যেতে স্পষ্ট বুঝাইতেছে যে, পতির 3 :