পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/১২৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১২৪ মহীয়া রাজ রামমোহন রায়ের জীবনচরিত। ক্রমে যখন হুতাশন আপনার সহস্ৰ দশন বিস্তার করিঃ ংশন করিতে লাগিলেন, তখন আর যন্ত্রণ সহ করিতে ন। পারিয়া লম্ফ দিয়া গঙ্গায় পড়িতে উদ্যত হইল। বাহন্তে সতীর প্রতি কোন প্রকার বলপ্রয়োগ না হয়, সেই জন্য ম্যাজিষ্ট্রেট সাহেব সেখানে স্বয়ং উপস্থিত ছিলেন ; এব: খোলা তলবার হস্তে একজন সিপাহিকে চিতার অতি নিকটে দণ্ডায়মান রাখিয়াছিলেন। সর্তী যখন চিতা হইতে পলাইবার চেষ্টা করিল নিকটস্থ সিপাহি তখন আপন প্রভুর আজ্ঞ ভূলিং গিয়া, চিরাভ্যস্ত সংস্কারবশতঃ সতীকে তলবারদ্বারা আঘাত করিতে উদ্যত হইল। সতী ভয়ে জড়সড় হইয়া পুনৰ্ব্বার চিতার মধ্যে প্রবেশ করিল। ম্যাজিষ্ট্রেট সাহেব সিপাহীর প্রতি বিরক্ত হইয়া তাঁহাকে সে স্থান হইতে তফাৎ করিয়া কয়েদ করিং রাখিলেন। সতী আবার অল্পক্ষণ পরেই বস্ত্রণ অসহ হওয়াতে গঙ্গার জলে কম্প দিয়া পড়িল। মৃত ব্যক্তিরভ্রাতারা, আত্মী স্বজন, ও অপরাপর সকলে এই বলিয়৷ চীৎকার করিতে লাগিল যে, উহাকে বল পূর্বক চিতায় আনিয়া দগ্ধ করা যাউক । স্ট্রে রূপ অবশু করা হইত। সতীও তাহাদের কথায় বাধ্য হইয় পুনৰ্ব্বার চিতায় আসিতে সন্মত হইয়াছিল। ম্যাজিষ্ট্রেট সাঙ্গে বের জন্ত তাহ হইল না। তিনি সতীকে তৎক্ষণাৎ পার্বি করিয়া হাসপাতালে গ্রেরণ করিলেন। ক্যানি পার্কস্ কলি কাতার সন্নিহিত স্থান সকলেও এই প্রকার সতীদাহের বৃত্তাং বর্ণনা করিয়াছেন । উপরে যাহাউদ্ভূত হইল,তাহাতে ইহাই প্রতিপন্ন হইতেছে:ে