পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/১৩০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সমাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলন। ১২৫ সমরণ প্রথা প্রচলিত থাকাতে অবলারমণীগণকে কুসংস্কারের ভীষণমন্দিরে বলিদান দেওয়া হইত। আমরা প্রাচীনদিগের সহিত সতীদাহ বিষয়ে আলাপ করিয়া ইহাই শুনিয়াছি যে, সতীর শোকে অধীর হইয়া প্রথমে বলিত যে, তাহারা সহমৃতা হইবে ; কিন্তু সংকল্পের পর আর ফিরিবার উপায় ছিল না ; ফিরিলে পরিবারের দুরপনেয় কলঙ্ক; সুতরাং সংকল্পের পর মতপরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখিলে অথবা মতপরিবর্তন হইলে, বিলক্ষণরূপেই তাহার স্বাধীনতার প্রতি হস্তক্ষেপ করা इट्रेड । সতীদাহ বিষয়ে রামমোহন রায় সম্বন্ধে একটি গল্প । রাজা রামমোহন রায় স্বভাবতঃ অতিশয় সদয়হৃদয় লোক ছিলেন ; সুতরাং অনাথা বিধবা নারীর নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ডে তিনি যার পর নাই ক্লেশামুভব করিতেন। কেবল কথোপকথন ও পুস্তক-প্রচারদ্বারা সহমরণ প্রথার অবৈধতা ও নিষ্ঠুরত। লোককে বুঝাইয়া দিয়া ক্ষান্ত হইতেন না। তিনি কখন কখন কলিকাতার গঙ্গাতীরে উপস্থিত হইয়া সহগামিনী রমণীর সহমরণ নিবারণ জন্য অনেক চেষ্টা করিতেন। আমরা তৎসম্বন্ধে পাঠকবর্গকে একটি গল্প বলিব । বীর নৃসিংহ মল্লিকের পরিবারস্থ কোন একটী স্ত্রীলোক সহমৃতা হইবার জন্য গঙ্গাতীরে উপস্থিত হন। রাজা রামমোহন রায় এই সংবাদ পাইয়া তৎক্ষণাৎ তথায় গিয়া উপস্থিত হইলেন, এবং সহমরণ হইতে স্ত্রীলোকটিকে প্রতিনিবৃত্ত করিবার জন্য র্তাহার আত্মীয়গণকে নানা প্রকারে