পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/১৩১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১২৬ মহাত্ম রাঙ্গ রামমোহন রায়ের জীবনচরিত। বুঝাইতে লাগিলেন। তাহার রামমোহন রায়ের মহছদেন্ত হৃদয়ঙ্গম করিতে পার দূরে থাকুক, যার পর নাই, বিরক্ত হইয়া উঠিলেন। এক জন ক্রোধান্ধ হইয় তাহাকে সম্বোধন পূৰ্ব্বক বলিলেন “হিন্দুর কাৰ্য্যে মুসলমান কেন?” রামমোহন রায় এই অপমানবাক্যে কিছুমাত্র অসন্তোষ প্রকাশ না করিয়া শান্ত ভাবে তাহাদিগকে বুঝাইতেই প্রয়াস পাইতে লাগিলেন। কিন্তু যে ভৃত্য র্তাহার সঙ্গে গিয়াছিল, সে প্রভুর অপমান দেখিয়া বড়ই রাগিয়া উঠিল ; তিনি তাহাকে স্থির হইতে আঞ্জা করিলেন।* রামমোহন রায় ও লর্ড উইলিয়ম বেণ্টিঙ্ক । সতীদাহ নিবারণ সম্বন্ধে আর একটি গল্প আছে। তৎকালীন গবর্ণর জেনারেল লর্ড উইলিয়ম বেণ্টিঙ্ক উক্ত বিষয়ে রামমোহন রায়ের সহিত পরামর্শ করিবার জন্ত র্তাহার নিকট একজন এডিক প্রেরণ করেন। তিনি (রামমোহন রায়) এডিকংকে বলিলেন “আমি এক্ষণে বৈষয়িক কাৰ্য্য হইতে অবসর গ্রহণ করিয়া শাস্ত্র চর্চা ও ধৰ্ম্মানুশীলনে নিযুক্ত রহিয়াছি; আপনি অনুগ্রহ পূৰ্ব্বক লাট সাহেবকে জ্ঞাত করিবেন যে, আমার রাজদরবারে উপস্থিত হইতে বড় ইচ্ছা নাই।” এডিকং যে প্রকার শুনিলেন, বেণ্টিম্ব সাহেবের নিকট গিয়া অবিকল জানাইলেন। বেণ্টিঙ্ক জিজ্ঞাস করিলেন “আপনি রামমোহন রায়কে কি বলিয়াছিলেন”। ' * এই গল্পটি বাবু রাজনারায়ণ বস্তু, রামরত্ব মুখোপাধ্যায়ের নিকট গুটি স্নাছিলেন। يهer