পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/১৩২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলন। ১২৭ এডিকং উত্তর করিলেন “আমি বলিয়াছিলাম যে, গবর্ণর জেনারেল লর্ড উইলিয়ম বেণ্টিঙ্কের সহিত আপনি একবার সাক্ষাৎ করিলে তিনি বাধিত হন।” বেণ্টিঙ্ক শুনিয়া বলিলেন “আপনি পুনৰ্ব্বার র্তাহার নিকট গমন করুন ; গিয়া বলুন যে, মিষ্টার উইলিয়ম বেণ্টিঙ্কের সহিত আপনি অনুগ্রহ পূৰ্ব্বক সাক্ষাৎ করিলে তিনি বাধিত হন।” এডিকং পুনরায় রামমোহন রায়ের নিকট আসিয়া ঐরূপ বলিলেন । রামমোহন রায় গবর্ণর জেনারেলের এতদূর আগ্রহ ও শিষ্টাচারকে আর কোনক্রমেই উপেক্ষা করিতে পারিলেন না। অবিলম্বে তাহার সহিত সাক্ষাৎ করিলেন। বেণ্টিঙ্ক ও রামমোহন রায়ের এই শুভযোগ হইতে যে স্বমহৎ ফল প্রস্থত হইয়াছিল, তাহ কাহারও অবিদিত নাই। জনৈক সুবক্ত৷ ইহাকে “মণিকাঞ্চন যোগ” বলিয়াছেন। রাজা রামমোহন রায় গবর্ণমেণ্টের নিকট প্রতিপন্ন করিয়াছিলেন, যে, হিন্দু রমণীগণ যে, বুদ্ধি বিবেচনার অনুবৰ্ত্তিনী হইয়। সম্পূর্ণ স্বাধীন ভাবে শরীর ভয়াবশেষ করিতেন এরূপ নহে। বিধবার সম্পত্তি থাকিলে অনেক স্থলে তাহার স্থার্থপর আত্মীয়গণ উহা অধিকার করিবার আশায়, সহমরণে তাহার প্রবৃত্তি জন্মাইবার জন্য অর্থলোতী ব্রাহ্মণগণকে উৎকোচ দিয়া নিযুক্ত করিতেন। বিধবা যখন পতিবিরহে শোকোত্মত্ত, বাহাজ্ঞানপৃষ্ঠা, সেই সময়েই সুবিধা বুঝিয়া সহমরণ বিষয়ে তাহার মত গ্রহণ করা হইত। শোকের সময়ে ইচ্ছাপূর্বক তাহাকে কিছু মাত্র আহার দেওয়া হইত না, এবং শোক ও অনাহারজনিত ক্ষীণত উপস্থিত হইলে ভাং প্রভৃতি মাদক দ্রব্য সেবন করাইয়া