পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/১৩৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১২৮ মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত। তাহার মত গ্রহণ করা হইত। পূৰ্ব্বে যে পেগুস্ সাহেবের কথা বলা হইয়াছে, তিনিও তাহার প্রচারিত গ্রন্থে ভাং পান করাইবার কথা বলিয়াছেন। সতীদাহ নিবারণ। রামমোহন রায়ের প্রকাশিত ইংরেজী ও বাঙ্গালা পুস্তক নিচয় সতীদাহ নিবারণের পথ পরিষ্কৃত করিয়া দিল । ১৮০৫ খৃষ্টাক হইতে গবৰ্ণমেণ্ট উক্ত কুপ্রথা উঠাইয়া দিতে ইচ্ছ করিতেছিলেন ; কিন্তু দেশীয় ধৰ্ম্মে হস্তক্ষেপ করা অনুচিত বিবেচনা করিয়া তাহাতে সঙ্কুচিত হইতেছিলেন। রামমোহন রায়ের গ্রন্থ এ বিষয়ে তাহাদের ভ্রম দূর করিয়া দিল। ১৮২৯ খৃষ্টাবে, ডিসেম্বর মাসের চতুর্থ দিবসে,লৰ্ড উইলিয়মবেষ্টির এই কুরীতি রাক্ষসকে ভারতভূমি হইতে বিদূরিত করিয়া দিলেন। রামমোহন রায়ের বহুদিনের প্রাণের আশা সফল হইল ; তাহার বাল্যকালের প্রতিজ্ঞ পুর্ণ হইল। লর্ড উইলিয়ম বেণ্টিঙ্কের নামের সঙ্গে সঙ্গে রাজা রামমোহন রায়ের নাম অতীতসাক্ষী ইতিহাস চিরদিন কীৰ্ত্তন করিবে । বিদ্বেষবৃদ্ধি ও আন্দোলন । ধৰ্ম্মসভার মস্তকে যেন বজ্ৰাঘাত হইল। তাহদের ক্ষোভ, ক্রোধ, বিদ্বেষ, ও ঘৃণার পরিসীমা থাকিল না। আর র্তাহারা পরমারাধ্য জননী, স্নেহ-প্রতিম ভগিনী প্রভৃতিকে জলন্ত চিতানলে জীবন্ত দগ্ধ করিতে পারিবেন না, ইহা কি সামান্য