পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/১৩৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১৩৪ মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত। প্রতি নগরে প্রতি গ্রামে বিবেচনা কর যে কত স্ত্রী পুরুষ হইতে প্রতারিত হইয়াছে, আর কত পুরুষ স্ত্রী হইতে প্রতারণা প্রাপ্ত হইয়াছে ; আমরা অনুভব করি যে প্রতারিত স্ত্রীর সংখ্যা দশ গুণ অধিক হইবেক ; তবে পুরুষেরা প্রায় লেখা পড়াতে পারঙ্গ এবং নানা রাজকৰ্ম্মে অধিকার রাখেন, যাহারদ্বারা স্ত্রীলোকের কোন এরূপ অপরাধ কদাচিৎ হইলে সৰ্ব্বত্র বিখ্যাত অনায়াসেই করেন, অথচ পুরুষে স্ত্রীলোককে প্রতারণা করিলে তাহ দোষের মধ্যে গণনা করেন না। স্ত্রীলোকের এই এক দোষ আমর স্বীকার করি, যে আপনারদের দ্যায় অন্তকে সরল জ্ঞান করিয় হঠাৎ বিশ্বাস করে, যাহারদ্বারা অনেকেই ক্লেশ পায়, এপর্য্যন্ত যে কেহ কেহ প্রতারিত হইয়া অগ্নিতে দগ্ধ হয় ।” “চতুর্থ, যে সামুরাগী কহিলেন, তাহ উভয়ের বিবাহ গণনা তেই ব্যক্ত আছে, অর্থাৎ এক এক পুরুষের প্রায় দুই তিন দ্য বরঞ্চ অধিক পত্নী দেখিতেছি ; আর স্ত্রীলোকের এক পতি, :ে ব্যক্তি মরিলে কেহ তাবৎ সুখ পরিত্যাগ করিয়া সঙ্গে মরি:ে বাসনা করে, কেহ বা যাবজ্জীবন অতি কষ্ট যে ব্রহ্মচৰ্য্য তাহা অনুষ্ঠান করে।” “পঞ্চম, তাহাদের ধৰ্ম্ম-ভয় অল্প। এ অতি অধৰ্ম্মের কথা দেখ কি পৰ্য্যন্ত দুঃখ, অপমান, তিরস্কার, যাতন, তাহারা কেব ধৰ্ম্ম-ভয়ে সহিষ্ণুত করে। অনেক কুলীন ব্রাহ্মণ, যাহারা দ পনর বিবাহ অর্থের নিমিত্তে করেন, তাহাদের প্রায় বিবাহে ~ --سمعصہ سب سے পর অনেকের সহিত সাক্ষাৎ হয় না, অথবা জাবজ্জীবনের ম:ে কাহারে সহিত দুই চারিবার সাক্ষাৎ করেন ; তথাপি ।