পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/১৪১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১৩৬ মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত। কায়স্ত,যাঙ্গাদের ধনবন্ত নাই, তাহীদের স্ত্রীলোক সকলগে সেবাি কৰ্ম্ম করেন, এবং পাকাদির নিমিত্ত গোময়ের ঘোষী স্বহস্তে দেন, বৈকালে পুষ্করিণী অথবা নদী হইতে জলাহরণ করেন, রাত্রিতে শয্যাদি করা যাহতৃত্যের কৰ্ম্ম,তাহাও করেন; মধ্যে মধ্যে কোনে কৰ্ম্মে কিঞ্চিৎ ক্রটি হইলে তিরস্কার প্রাপ্ত হুইয়া থাকেন। যদ্যপি কদাচিৎ ঐ স্বামীর ধনবত্ত হইল, তবে ঐ স্ত্রীর সর্বপ্রকার জ্ঞাত, সারে এবং দৃষ্টিগোচরে প্রায় ব্যভিচারদোষে মগ্ন হয়, এবং মাস মধ্যে এক দিবসও তাহার সহিত আলাপ নাই। স্বামী দরিদ্র যে পর্য্যস্ত থাকেন, তাবৎ নানা প্রকার কায়ক্লেশ পায়, আর দৈবাৎ ধনবান হইলে মানসছুঃখে কাতর হয়। এ সকল দুঃখ ও মন স্তাপ কেবল ধৰ্ম্মভয়েই তাহারা সহিষ্ণুত করে। আর যাহার স্বামী দুই তিন স্ত্রীকে লইয়া গার্হস্থ্য করে,তাহারা দিবারাত্রি মন স্তাপ ও কলহের ভাজন হয়, অথচ অনেকে ধৰ্ম্ম ভয়ে এ সকল ক্লেশ সহ করে ; কখন এমত উপস্থিত হয় যে, একস্ট্রীর পক্ষ হইয়া অন্য স্ত্রীকে সৰ্ব্বদা তাড়না করে এবং নীচ লোক ও বিশিষ্ট্র লোকের মধ্যে যাহারা সং সঙ্গ না পায়, তাহার। আপন স্ত্রীবে কিঞ্চিং ক্রটি পাইলে অথবা নিষ্কারণ কোন সন্দেহ তাহারদের প্রতি হইলে চোরের তাড়ন তাহাদিগকে করে। অনেকেই ধৰ্ম্মভয়ে লোকভয়ে ক্ষমাপন্ন থাকে, যদ্যপিও কেহ তাদৃ" যন্ত্রণায় অসহিষ্ণু হইয়া পতির সহিত ভিন্নরূপে থাকিবার নিমি গৃহত্যাগ করে, তবে রাজদ্বারে পুরুষের প্রাবল্য নিমিত্ত পুনরা: প্রায় তাহারদিগকে সেই সেই পতিহস্তে আসিতে হয়। পতিও সেই পূৰ্ব্বজাত ক্রোধের নিমিত্ত নানাছলে অত্যন্ত ক্লেশ দেয়, কখ