পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/১৪২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলন। ১৩৭ বা ছলে প্রাণবধ করে ; এ সকল প্রত্যক্ষসিদ্ধ, সুতরাং অপলাপ করিতে পারিবেন না। দুঃখ এই যে, এই পৰ্য্যন্ত অধীনুক্ৰ ও নানা দুঃখে দুঃখিনী, তাহারদিগকে প্রত্যক্ষ দেখিয়াও কিঞ্চিৎ দয় আপনকারদের উপস্থিত হয় না, যাহাতে বন্ধনপূর্বক দাহ করা হইতে রক্ষা পায়।” রামমোহন রায় ও বহুবিবাহপ্রথা । রাজা রামমোহনরায়ের হৃদয় বঙ্গবাসিনী দুঃখিনী অবলকুলের দুঃখে কতদূর কাতর হইয়াছিল, তাহার লিখিত উদ্ধৃত অংশটির প্রতি পংক্তি তাহ সুস্পষ্টরূপে ব্যক্ত করিতেছে। উহাতে তৎকালীন সমাজের চিত্র যথাযথক্কপে চিত্রিত হইয়াছে। বহুবিবাহ প্রভৃতি স্ত্রীলোকের যন্ত্রণার সকল প্রকার কারণ বিশদরূপে বর্ণিত হইয়াছে। শেষোক্ত কদৰ্য্য প্রথার বিরুদ্ধে তিনি বিশেষরূপে লেখনী চালনা করিয়াছিলেন। উহার বিষময় ফল স্বদেশবাসীগণকে বুঝাইয়া দিতে যত্ন করিয়াছিলেন। আধু নিক কৌলিন্য ও অধিবেদনপ্রথা যে শাস্ত্রসঙ্গত নহে, ইহা নিঃসংশয়ে প্রতিপন্ন করিয়াছিলেন। নিম্নলিখিত শ্লোক সকল উদ্ধৃত করিয়া তিনি দেখাইয়াছিলেন যে, কতকৃগুলি বিশেষ কারণ থাকিলেই ঋষিগণ দ্বারাস্তুর গ্রহণের ব্যবস্থা দিয়াছেন, অন্যথ नय्श्। মদ্যপাসাধুবৃত্তাচ প্রতিকুলাচ যা ভবেৎ। ব্যাধিত বাহধিবেত্তব্য হিংস্রার্থী চ সৰ্ব্বদা। পী যদি মুরাসক্ত, দুশ্চরিত্র, স্বামীর প্রতি বিদ্বোধনী,