পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/১৪৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১৩৮ মহাত্মা রাজ রামমোহন রায়ের জীবনচরিত। হিংস্রস্বভাব, অর্থনাশিনী বা রোগগ্ৰস্ত হয়, তাহা হইলে দারীপুরুষন্তর গ্রহণ করিবেক । f বন্ধ্যষ্টিমে ধিবেদ্যান্ধে দশমেতু মৃতপ্রজা। একদশে স্ত্রী জননী মদ্যত্ব প্রিয়বাদিনী ॥ পত্নী যদি বন্ধ্যা হয়, তবে অষ্টবৎসর ; যদি মৃতবত্সা হয়, তবে দশবৎসর ; যদি কেবল কন্যাসন্তান হইতে থাকে, তবে একাদশ বৎসর পর্য্যন্ত দেখিয়া পুরুষ পুনরায় বিবাহ করিতে পরিবে। স্ত্রী অপ্রিয়বাদিনী হইলে তৎক্ষণাৎ অন্ত স্ত্রী বিবাহ করিবে। যা রোগিনী স্যাস্তুহিতাসম্পন্ন চৈবশীলতঃ। সামুজ্ঞাপ্যাধিবেত্তব্য নাবমান্যাচ কহিঁহচেৎ ॥ সচ্চরিত্র, হিতকারিনী স্ত্রী রুগ্ন হইলেও সন্মতি গ্রহণ করিয়া অন্ত স্ত্রী বিবাহ করিবে, তাহাকে কখন অবমামনা করিবে না। রাজা রামমোহন রায় বলেন যে, গবর্ণমেণ্ট এইরূপ ব্যবস্থা করিলে অত্যন্ত উপকার হয় যে, কোন ব্যক্তি এক স্ত্রীর জীবদশায় পুনৰ্ব্বার বিবাহ করিতে ইচ্ছা করিলে তাহাকে মাজিষ্ট্রেট ব। অন্য কোন রাজকৰ্ম্মচারীর নিকট প্রমাণ করিতে হইবে যে, তাহার স্ত্রীর শাস্ত্রনির্দিষ্ট কোন দোষ আছে। প্রমাণ করিতে সক্ষম ন হইলে সে পুনৰ্ব্বার বিবাহ করিতে অনুজ্ঞা প্রাপ্ত হইবে না। রাজা রামমোহন রায়ের পরামর্শ মতে কার্য্য হইলে ভারতবাসিনী অবলাকুলের দুঃখ যন্ত্রণা অনেক পরিমাণে হ্রাস হইত। রামমোহন রায় ও হিন্দুনারীর দায়াধিকার । রাজা রামমোহন রায় আর একটি অতি গুরুতর বিষয়ে