পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/১৫৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১৫ • মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত। শিক্ষার পক্ষ দলের মধ্যে দ্বাদশ বর্ষ অথবা তদধিক কাল তঃ বিতর্ক চলিয়াছিল। পরিশেষে ১৮৩৫ খৃষ্টাব্দের ৭ই মে লড় উইলিয়ম বেণ্টিঙ্ক কর্তৃক পাশ্চাত্যশিক্ষা পক্ষেরই জয় হইল। এই বিবাদের প্রথম অবস্থায় দেশীয় শিক্ষার পক্ষপাতিদিগের চেষ্টায় গভর্ণমেণ্ট একটি সংস্কৃত কলেজ প্রতিষ্ঠিত করিবার জন্ত । বহু অর্থ প্রদান করিতে সম্মত হন। রামমোহন রায় উঠার প্রতিবাদ করিয়া পূৰ্ব্বপ্রকাশিত পত্ৰখানি গভর্ণরজেনারেলকে লিখ্রিয়াছিলেন । বোধ হয় এই আন্দোলনবশতঃই সংস্কৃত কলেজের বাটার ভিত্তিপ্রস্তর, হিন্দুকলেজের নামে ১৮২৪ খৃষ্টাব্দে, ফেব্রুয়ারি মাসে নিখাত হইয়াছিল। সংস্কৃতকলেজ ও হিন্দুকলেজ উভয় বিদ্যালয়ই উক্ত গৃহে স্থাপিত হয়। “ইংলণ্ডস্থ রাজপুরুষেরা এদেশীয় লোকের শিক্ষাসাধনার্থ একলক্ষ চব্বিশ হাজার টাকা প্রদান করেন, এবং অত্রতা রাজপুরুষেরা তার একটি সংস্কৃত কালেজ সংস্থাপন করিতে উদ্যত হন । এই সম্বাদ অবগত হইয়া রামমোহন রায় সে সময়ের শাসন কৰ্ত্ত লার্ড এম্‌হর্স ট্রকে একখানি পত্র লেখেন। তাহাতে তিনি সংস্কৃত কলেজের পরিবর্তে একটি ইংরেজী বিদ্যালয় সংস্থাপন করিয়া নানাবিধ বিজ্ঞান শিক্ষা দিতে অনুরোধ করেন, সংস্কৃত শাস্ত্রের অনুশীলন ও অধ্যাপন প্রচলিত রাখিবার উদ্দেশ্যে এদেশীয়চতুষ্পাঠী সমুদ্ৰায়ের অধ্যাপকগণের আমুকুলা প্রার্থনা লিখিয়া দেন।” * যে দুই দলের কথা বলা হইয়াছে, তন্মধ্যে যাহারা ইংরেজী

  • ঐযুক্ত অক্ষয়কুমার দত্ত প্রণীত উপাসক সম্প্রদায়, ২য় ভাগ ৩, পৃঃ দেখ।