পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/১৭৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলন । ১৭১ পুত্রবধুর সহিত মাতাকর্তৃক পিতৃগৃহ হইতে তাড়িত হইয়া রাধানগরের নিকটবৰ্ত্ত রঘুনাথপুর গ্রামে বাটা নিৰ্ম্মাণ করেন। উক্ত বাটতে র্তাহার কণিষ্ঠ পুত্র রমাপ্রসাদ জন্ম গ্রহণ করেন। জ্যেষ্ঠের বয়স তখন বিংশতি বৎসর। তিনি উভয় পুত্রকে লইয়াই কলিকাতার বাটতে বাস করিতেন, মধ্যে মধ্যে রঘুনাথপুরে গমন করিতেন। র্তাহার মাতার সহিত অসন্মিলন স্থায়ী হয় নাই। তিনি পুত্রের মহত্ত্ব অনুভব করিয়া তাহার সহিত পুনৰ্ম্মিলিত হইয়াছিলেন, এবং কিছুকাল পরে সমস্ত জমিদারী রামমোহন, জগন্মোহন ও রামলোচনের পুত্র পৌত্রদিগের মধ্যে বিভাগ করিয়া দিয়া জগন্নাথদর্শনে গমন করেন। তিনি সেখানে একবর্ষকাল কিরূপ ভাবে অবস্থিতি করিয়া পরলোকযাত্রা করেন, তাহ পূৰ্ব্বে উক্ত হইয়াছে। মাতৃবিয়োগের কিছু দিন পরেই তাহার মধ্যম স্ত্রী শ্ৰীমতী দেবীর মৃত্যু হইল। তখন কণিষ্ঠ পুত্র রমাপ্রসাদেয় বরস পাচ বৎসর মাত্র । কৃষ্ণনগর হইতে শ্ৰীমতী দেবীর কঠিন পীড়ার সংবাদ জাসিলে, তিনি তৎক্ষণাৎ রাধাপ্রসাদকে তথায় পাঠাইয়া দিলেন, এবং এই কথা বিশেষ করিয়া বলিয়া দিলেন যে, যদি তোমার মাতার সঙ্কটাপন্ন পীড়া দেখ, তবে অতি শীঘ্র আমাকে সংবাদ দিবে ; আর যদি তিনি মৃত্যুমুখে পতিত হন, তবে কোনক্রমে তাহার মুখাগ্নি করিও না। অল্পকাল পরেই শ্ৰীমতী দেবীর মৃত্যু সংবাদ আসিল । ইহা বলা বাহুল্য যে, রামমোহন য়ায় স্ত্রীবিয়োগে শোকা হইয়াছিলেন। র্তাহার দৌহিত্র আর্য্যদর্শন পত্রে লিখিয়াছিলেন যে, তিনি কৃষ্ণনগর গমন করিয়া পরলোকগত সহ