পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/১৮১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১৭৬ মহাত্ম রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত। সেখানে তাহার যশ বিস্তীর্ণ হইয়াছিল। তাহার প্রণীত খৃষ্টধৰ্ম্ম সম্বন্ধীয় ইংরেজী পুস্তক সকল লণ্ডননগরে মুদ্রিত হইয়া প্রচারিত হইয়াছিল। এতদ্ব্যতীত এ দেশের অনেক সুবিজ্ঞ ইংরেজ রামমোহন রায়ের মহৎ কাৰ্য্য ও ক্ষমতার বিষয় ইংলণ্ডবাসীগণের অবগতির জন্ত তথায় লিখিয়া পাঠাইতেন। বিলাতগমনের পূৰ্ব্বে, ইয়োরোপীয়দিগের মধ্যে, রামমোহন রায়ের যশ: কি প্রকার বিস্তৃত হইয়াছিল, ইহা প্রদর্শন করিবার জন্ত মিস্ কাপেণ্টার তাহার গ্রন্থে রামমোহন রায় সম্বন্ধে তৎকালীন কোন কোন স্থবিজ্ঞ ইংরেজের লেখা উদ্ধৃত করিয়াছেন। আমরা তাহা হইতে কয়েকটা স্থান অনুবাদ করিয়া দিলাম । র্তাহার বিলাত গমনের পূৰ্ব্বে র্তাহার সম্বন্ধে কোন কোন ইয়োরোপীয়ের মত । ব্যাপৃটিষ্ট মিসনারী সোসাইটীর ১৮১৬ খ্ৰীষ্টাব্দের বিজ্ঞাপনীতে রামমোহন রায়ের উল্লেখ আছে। “রামমোহন রায় এক জন কলিকাতার ধনবান রাঢ়ীয় ব্রাহ্মণ । ইনি সংস্কৃত ভাষায় স্থপণ্ডিত। পারস্য ভাষায় ইহার জ্ঞান এত অধিক যে, লোকে ইহাকে মৌলবী রামমোহন রায় বলিয়া থাকে। ইনি বিশুদ্ধ ইংরেজী লিখিয়া থাকেন এবং উক্ত ভাষায় গণিত ও মনোবিজ্ঞানের পুস্তক সকল পাঠ করেন । তিনি শ্রীরামপুরে আমুদিগের সহিত সাক্ষাৎ করিয়াছিলেন। তিনি এক্ষণে কেবল একেশ্বরবাদী মাত্র ( Theist ) ; যীশু খ্ৰীষ্টকে শ্রদ্ধ করেন, কিন্তু তাহাদ্বারা পাপের প্রায়শ্চিত্তে বিশ্বাস করেন না ।