পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/১৮৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলন। ১৮৩ নয়, তাহার সদগুণ সকল,—র্তাহার জ্ঞানালোকসম্পন্ন হিতৈষণাপূর্ণ হৃদয় (স্বাভাবিক শক্তি ও উপার্জিত বিদ্যার ন্যায়) পরোপকারীতাতেও অন্ত সকলের অপেক্ষ তাহাকে শ্রেষ্ঠ করি ग्रांटझ ।” রাজারাম ও রামরত্ব । রামমোহন রায় বিলাত-যাত্রার জন্ত প্রস্তুত হইলেন । স্থির হইল যে, তাহার সহিত পালিত-পুত্র রাজারাম রায় এবং প্রামরত্ন মুখোপাধ্যায় গমন করিবেন। রাজারাম সম্বন্ধে রামমোহন রায়ের একটা দুর্নাম আছে ; সুতরাং রাজারামের প্রকৃত বৃত্তান্ত পাঠকবর্গকে অবগত করা আবশ্যক। ডিকু নামে একজন সিভিলিয়ান্‌ সাহেব হরিদ্বারের মেলায় একটী অনাথ ও পরিত্যক্ত বালককে কুড়াইয়া পাইয়। প্রতিপালন করিয়াছিলেন। সাহেব যখন বিলাত যান রামমোহন রায়কে জিজ্ঞাসা করিলেন যে, উক্ত বালকের বিষয়ে তিনি কি করিবেন ? রামমোহন রায় দয়ার্ডচিত্ত হইয় তাহাকে আশ্রয় দিতে সন্মত হইলেন। রামমোহন রায়ের একজন বন্ধু লিথিয়াছেন যে, তিনি উক্ত বালকের বিষয়ে একদিন বলিয়াছিলেন, “যখন আমি দেখিলাম যে, একজন খ্ৰীষ্টান ইংরেজ একটা দরিদ্র অনাথ বালকের মঙ্গলের জন্ত এত যত্ন করিতেছেন, তখন আমি দেশের লোক হইয় তাহাকে আশ্রয় দিতে ও তাহার ভরণপোষণের ভার লইতে কেমন করিয়া অস্বীকার করিতে পারি ?” ডিক্‌ সাহেব ভারতবর্ষে প্রত্যাবৰ্ত্তন করেন নাই, সুতরাং রামমোহন রায়ের দ্বারা বালকট প্রতি