পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/১৯৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ইংলণ্ড-বাস । >br為 উইলিয়ম রস্কো একখানি শ্রদ্ধা ও প্রাতিপূর্ণপত্র এবং উপহারস্বরূপ র্তাহার রচিত কতক গুলি পুস্তক ভারতবর্ষে মিমোহন রায়কে পাঠাইয়া দিয়াছিলেন। লিভারপুলনিবাসী টমাস হজসান্‌ ফুেচার সাহেব কলিকাতায় গমন করেন। রামমোহন রায়কে দিবার জন্য রস্কে তাহারই হস্তে পুস্তক ও পত্র দেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য ক্রমে উহা রামমোহন রায়ের হস্তগত হয় নাই। ফুেচার সাহেব কলিকাতা পৌছিবার পূৰ্ব্বেই রামমোহন রায় বিলাতযাত্রা করিয়াছিলেন। রস্কো রামমোচন রায়কে যে পত্র খানি লিখিয়াছিলেন তাহাতে বলিতেছেন যে,গৃষ্টের উপদেশ সংগ্ৰহ করিতে গিয়া তিনি বুঝিতে পারিয়াছেন যে, কেবল পরমেশ্বরের ইচ্ছামুরূপ কাৰ্য্য করাই প্রকৃত খৃষ্টধৰ্ম্ম । রস্কোর পত্র কলিকাতা পৌছিবার পুর্বেই তিনি হঠাৎ শুনিলেন যে, রামমোহন রায় ইংলণ্ড আদিতেছেন। অল্পদিন পরে আবার শুনিলেন যে, তিনি লিভারপুল নগরে উপস্থিত হইয়াছেন। তথায় তাহার মধুর চরিত্র ও মুন্দর মূৰ্ত্তি সকলের চিত্ত আকর্ষণ করিয়াছে । রামমোহন রায় যে সময়ে লিভারপুলে পৌছিলেন, রস্কো তখন পক্ষাঘাত রোগে কষ্ট পাইতেছিলেন। চিকিৎসকের নিষেধ সত্বেও তিনি রামমোহন রায়ের সহিত সাক্ষাৎ করিলেন । রামমোহন রায় তাহাকে দেখিয়া এদেশীয় প্রণালী অনুসারে "সেলাম” করিয়া বলিলেন যে,“যে ব্যক্তির যশঃ কেবল ইয়োরোপে নয়, সমুদয় পৃথিবীতে প্রচার হইয়াছে, আমি তাহাকে দেখিয়া মধী হইলাম।” রস্কে উত্তর করিলেন আমি “ঈশ্বরকে ধন্যবাদ করি