পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/১৯৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১১• মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত। যে, অদ্যকার দিন পর্য্যন্ত আমি জীবিত আছি।” তাহার (রাম মোহন রায়ের) ইংলও আগমনের উদ্দেশু,ও রিফরম বিল প্রভৃতি বিষয়ে তাহাদের কথাবাৰ্ত্ত হইয়াছিল। রস্কোর বাটতেই রাম মোহন রায়ের সহিত লিভারপুলের সন্ত্রান্ত লোকদিগের আলাপ হয়। র্তাহারা তাহার পাণ্ডিত্য ও বুদ্ধিমত্ত দেখিয়া আশ্চৰ্য্য হইয়াছিলেন। লিভারপুলে অবস্থাম কালে রামমোহন রায় তত্ৰত্য উনিটেরিয়ান উপাসনালয়ে গমন করেন ; উপাসকমণ্ডলী তাহাকে যার পর নাই সম্মান ও আদর করিয়াছিলেন। লিভারপুলে রামযোহন রায়ের সহিত সুপ্রসিদ্ধ হৃত্তত্ববিৎ পণ্ডিত স্পরজিমের বন্ধুত হইয়াছিল। কিন্তু রামমোহন রায় কখন তাহার প্রচারিত বিদ্যায় বিশ্বাস স্থাপন করেন নাই। জনৈক ভারতবর্ষীয় সৈনিক কৰ্ম্মচারী লিবারপুলের মেয়রের দূতস্বরূপ হইয়া রামমোহন রায়কে অনুরোধ করিতে আসিয়াছিলেন যে, তিনি একবার মেয়রের সহিত সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎ করিলে মেয়র তাহাকে একটি ভোজে নিমন্ত্রণ করিবেন। রামমোহন রায় এ অনুরোধ রক্ষা করেন নাই। লিভারপুলে অবস্থিতিকালে রস্কোসাহেবের সহধৰ্ম্মিণীর সহিতও রামমোহন রায়ের আলাপ হইয়াছিল। লিভারপুীে যে সকল লোক রামমোহন রায়ের সহিত আলাপ করিয়াছিলেন, তাহারা তাহাকে একজন মহাপুরুষ বলিয়া অনুভব করিয়াছিলেন। র্তাহার মুখশ্ৰী ও ব্যবহারে সৌন্দর্য্য ও শক্তি অনুভব করিয়াছিলেন। যে সময়ে রামমোহন রায়ের সহিত রস্কোসাহেবের সাক্ষাৎ