পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/১৯৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ইংলণ্ড-বাস । నృతి জেরিমি বেনূখ্যামের সহিত সাক্ষাৎ । রামমোহন রায় তথায় নিদ্রিত হইলে, প্রায় নিশীথকালে আধুনিক ব্যবস্থা-দর্শনের স্বষ্টিকর্তা জেরেমি বেস্থ্যাম তাহার সহিত দেখা করিবার জন্ত উপস্থিত হইলেন । কিন্তু দেখা না হওয়াতে তিনি একটু কাগজে “জেরিমি বেল্গ্যাম, তাহার বন্ধু রামমোহন রায়ের নিকট” এই কয়েকটা কথা লিথিয়া রাখিয়া প্রস্থান করিলেন । রামমোহন রায়ের সহিত র্তাহায় পরে আলাপ হইলে তিনি যারপর নাই সস্তুষ্ট হইয়াছিলেন। বেস্থ্যাম তাহার প্রতি এতদূর প্রত হইয়াছিলেন যে, তিনি তাহাকে “মনুষ্য-জাতির হিতসাধন-ব্রতে র্তাহার অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় এবং অত্যন্ত প্রিয় সহযোগী” বলিয়া সম্বোধন করিয়াছিলেন । হোটেলের গোলমালে অত্যন্ত বিলম্ব হওয়াতে তিনি রিফরম বিলু বিষয়ে পালেমেণ্ট মহাসভার বিচার শুনিতে যাইতে পারেন নাই। যাহা হউক, রিফরম্ বিল্‌ বিধিবদ্ধ হওয়াতে তাহার যার পর নাই আনন্দ হইয়াছিল। তিনি এ বিষয়ে উইলিয়ম ব্যাথ বোন সাহেবকে একখানিপত্রে লিথিয়াছিলেন, “আমি প্রকাগুরূপে ব্যক্ত করিয়াছিলাম যে, রিফরম বিল্ পাস ন হইলে আমি এদেশ পরিত্যাগ করিব। যতদিন পর্য্যন্ত না পালেমেণ্টে উক্ত বিষয়ক বিচারের ফল আমি জানিতে পারিয়াছি, ততদিন আমি আপনাকে এবং লিভারপুলবাদী অন্যান্য বন্ধুগণকে পত্র লিখিতে ক্ষান্ত ছিলাম।” রিফরম্ বিল্‌ বিধিবদ্ধ হওয়া সম্বন্ধে তিনি অন্ত এক স্থলে লিখিয়াছেন যে —“উহাতে ইংলও ও তাহার অধীনস্থ দেশ সকলের, এমন কি, সমস্ত পৃথিবীর মঙ্গল হইবে।” ›ፃ