পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/১৯৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১৯৪ মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত। বড়লোকদিগের সহিত সাক্ষাৎ ও যশঃবিস্তার । র্তাহার লওনে আগমনের সংবাদ পাইয়। অনেক সন্ত্রাস্তু ও সুবিখ্যাত ব্যক্তি সাক্ষাৎ করিতে আসিতে লাগিলেন। রিজেণ্ট ষ্ট্রীটে তাহার বাস হইবামাত্রই বেলা একাদশ ঘটিকা হইতে অপরাহ্ল চারিট পর্য্যন্ত র্তাহার দ্বারে ক্রমাগত গাড়ি আসিতে লাগিল। তাহার উদার-প্রকৃতি ও মধুর-ব্যবহারে সকলে মুগ্ধ হইতে লাগিলেন। একজন অসাধারণ জ্ঞানী ব্যক্তি বলিয় তাহার যশ চতুর্দিকে বিস্তৃত হইয়া পড়িতে লাগিল। ইংলণ্ডাধিপতির সহিত সাক্ষাৎ ও রাজসম্মান লাভ । ইংলণ্ডীয় গবর্ণমেণ্ট দিল্লীশ্বরের প্রদত্ত রামমোহন রায়ে “রাজা” উপাধি স্বীকার করিয়াছিলেন। ইংলণ্ডাধিপতি রাজ্যাভিষেক-কালে বিদেশীয় দূতগণের সঙ্গে তাহার আস নির্দিষ্ট হইয়াছিল। লওনের সেতু নিৰ্ম্মিত হইয়া সাধারণে ব্যবহার জন্য উন্মুক্ত হইবার সময়ে যে প্রকাগু ভো হইয়াছিল, ইংলণ্ডেশ্বর তাহাতে রামমোহন রায়কে নিমন্ত্র করিয়াছিলেন। ইষ্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানি তাহার উপাি কখন স্বীকার করেন নাই বটে, কিন্তু তাহার প্রতি অত্য সম্মানপ্রদর্শন করিয়াছিলেন। বোর্ড অব কণ্টোলের সভাপি সর জে, সি, হাছাউস ইংলণ্ডেশ্বরের নিকট র্তাহাকে উপস্থি করিয়াছিলেন। তাহারা উক্ত বৎসরের ৬ই জুলাই দিবৈ লওন ট্যাভারণ (London Tavern) নামক ভবনে কোম্পানি নামে তাহার সম্মানের জন্ত একটি ভোজ দিয়াছিলেন।