পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/২০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পূৰ্ব্বপুরুষ, মাত পিতা ও বাল্যকাল। ১৫ দিয়া তাহার মুখ প্রক্ষালন করিয়া দিলেন ; এবং তজ্জন্ত পিতাকে তিরস্কার করিলেন। কন্যাকর্তৃক তিরস্তুত হওয়াতে খাম ভট্টাচাৰ্য্য অত্যন্ত ক্রুদ্ধ হইলেন। ক্রুদ্ধ হইয়া তিনি কন্যাকে এই অভিশম্পাৎ করিলেন যে, (瑟 অহঙ্কার করিয়া আমার পুজার বিল্বপত্র ফেলিয়া_দিল্লি ; তুই এই_পুত্ৰ লইয়। কখনও-স্ত্রী হইতে পারিবি না। এই পুত্র কালে বিধৰ্ম্মী হইবে। পিতার মুখে অভিশম্পাৎ শুনিয়া ফুলঠাকুরাণী একান্ত কাতর হইয়। পড়িলেন। শাপান্ত হইবার জন্য পিতার চরণে ধরিয়া কঁদিতে লাগিলেন। শু্যাম ভট্টাচার্য বলিলেন, আমার বাক্য অব্যর্থ ; তবে তোমার পুত্র রাজপূজ্য ও অসাধারণ লোক হইবে।” পাঠকবর্গ এ গল্পট বিশ্বাস করিতে অবশুই বাধ্য” নহেন। আমরাও তদ্বিষয়ে তাহাদিগকে অনুরোধ করিতে পারি না। তবে উহা সম্পূর্ণ অমূলক ন হইতে পারে। হয় তো কিছু, মূল ছিল, রামমোহন রায়ের পরবর্তী জীবন দেখিয়া লোকে কল্পনাবলে সেই মূলটকে পরিবৰ্দ্ধিত ও পরিবর্তিত করিয়াছে। কথিত আছে, ফুলঠাকুরাণী শ্বশুরালয়ে গিয় স্বামীকে অভিশম্পাতের কথা বলিলেন, এবং উভয়ে আপনাদিগের বিশ্বাস ও সংস্কারানুসারে পুত্রের ধৰ্ম্মোন্নতি বিষয়ে যত্নশীল হইলেন। রামকান্ত রায় ও লাস্কুলপাড়ায় বাস। রামকান্ত রায়ও পিতৃদৃষ্টান্তানুসারে, প্রথমে মুরশিদাবাদে । নবাব সরকারে কৰ্ম্ম করেন ; কিন্তু তাহারও প্রতি কোন ৷ প্রকার অসদ্ব্যবহার হওয়াতে বিরক্ত হইয়। কৰ্ম্ম পরিত্যাগ পূৰ্ব্বক রাধানগরে আসিয়া অবস্থিতি করেন। -