পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/২০১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১৯৬ মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত। নামক পত্রিকায় ১৮৩১ খৃষ্টাব্দের জুন মাসে উক্ত সভার একট বিশেষ বিবরণ প্রকাশিত হইয়াছিল। রামমোহন রায় উক্ত সভায় অত্যন্ত উৎসাহের সহিত গৃহীত হইলে পর, সভাপতি মহাশয় বলিলেন যে, রাজা রামমোহন রায়কে দেখিয় তাহাদের মধ্যে এরূপ ভাবের উচ্ছসি হইয়াছে যে, উহা তিনি (রামমোহন রায়) সহজে বুঝিতে পারিবেন না। সুপ্রসিদ্ধ ওয়েষ্ট মিনিষ্টার রিভিউ পত্রের সম্পাদক, খ্যাতনামা সৰ্ব জন বাউরিং উক্ত সভায় বক্তৃতা করিয়াছিলেন। তাহার বক্তৃতার একস্থান তিনি বলিতেছেন ;—“যদি প্লেটে বা সক্রেটিস, মিল্টন বা নিউটন হঠাৎ আসিয়া উপস্থিত হন, তাহ হইলে যেরূপ মনের ভাব হওয়া সম্ভব, তদনুরূপ ভাবে অভিভূত হইয়া তিনি রাজা রামমোহন রায়ের অভ্যর্থনার জন্য হস্তপ্রসারণ করিয়াছিলেন । বাউরিং সাহেব তাহার বক্তৃতায় যাহা বলিয়াছিলেন, তাহার সার মৰ্ম্ম এই ;–“রামমোহন রায়ের বিলাত আসা যে কতদূর বীরত্বের কার্য্য তাহা ইয়োরোপবাসীরা বুঝিতে পারেন না। যখন রুস দেশের সম্রাট পিটর (Peter the Great ) দক্ষিণ ইয়োরোপের সভ্যতা শিক্ষা করিবার জন্য তথায় গমন করিয়াছিলেন,—যখন তিনি র্তাহার রাজসভার সম্মান পরিত্যাগ পূৰ্ব্বক সার্ড্যাম নগরে জাহাজ নিৰ্ম্মাণ শিক্ষা করিতে নিযুক্ত হইয়াছিলেন, তখন র্তাহার যে মহত্ব প্রকাশ হইয়াছিল, তাহ। র্তাহার বড় বড় যুদ্ধ জয়েও হয় নাই ; কিন্তু পিটরকে (রামমোহন রায়ের ন্যায় ) কুসংস্কার পরাভব করিতে হয় নাই,—