পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/২০৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২০৪ মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত। শাসন.সেখানে নাই, কোন নিকট আত্মীয় তথায় তাহাদিগকে পরামর্শদ্বারা চালাইতে বা দমন করিতে পারেন না। যে সকল লোকের দ্বারা তাহার। সৰ্ব্বদ পরিবৃত থাকেন, তাহারা অনুগ্রহ লাভের আশায় সৰ্ব্বদা তাহীদের তোষামোদ করে,এবং তাহাদিগের অতি সহজে উত্তেজিত প্রবৃত্তি সকলের চরিতার্থতার জন্য বহু অর্থপ্রদানে প্রস্তুত; এরূপ অবস্থায় তাহাদিগের অনেক প্রকার ভ্রম ও ক্রটি হইবার এবং লোকের প্রতি র্তাহাদিগের কর্তব্য লঙ্ঘনের সম্ভাবনা। এই সকল অদুরদর্শী যুবকের চিত্তে যে কিছু নীতি ও ধৰ্ম্মের ভাব থাকে, এরূপ অবস্থায় পড়িলে তাহা শিথিল হইয়া যাইতে পারে। অল্প বয়সে সিবিলিয়নদিগকে ভারতবর্ষে পাঠাইবার পক্ষে এই একটি যুক্তি দেওয়া হয় যে, র্তাহারা অল্প বয়সে তথায় গমন করিলে দেশীয় ভাষা সকল উত্তমরূপে শিক্ষা করিতে পারেন। কিন্তু ইহা অতি আসার কথা। যে সকল মিসনরির খ্ৰীষ্টধৰ্ম্মপ্রচারের জন্ত ভারতবর্ষে প্রেরিত হন, তাহাদের বয়স পঁচিশ হইতে পইত্রিশের মধ্যে। র্তাহারা তথায় গিয়া দুই কিম্বা তিন বৎসরের মধ্যে দেশীয় ভাষা এমন উত্তমরূপে শিক্ষণ করেন যে, দেশীয় লোকদিগের সহিত কথোপকথন করিতে পারেন, এবং দেশীয় শ্রোতাদিগের সম্মুখে দণ্ডায়মান হইয়া দেশীয় ভাষায় অবাধে ধৰ্ম্মপ্রচার করিতে পারেন । যখন মিসনরির অধিক বয়সে দেশীয় ভাষা শিক্ষা করিতে পারেন, তখন সিভিলিয়ানের পরিবেন না কেন ? অল্প বয়সে হউক, বা পরিণত বয়সেই হউক, সাধারণ লোকের সঙ্গে মিশিলেই সহজে ভাষা শিক্ষা করা যায়। বিশেষতঃ দেশীয়