পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/২১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১৬ মহাত্ম রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত। রামকান্ত রায় বৰ্দ্ধমানাধিপতির জমিদারীর অন্তর্গত খানা: কুল কৃষ্ণনগর প্রভৃতি কয়েকখানি গ্রাম ইজারা লইয়াছিলেন। এই উপলক্ষে বৰ্দ্ধমান-রাজের সহিত র্তাহার সৰ্ব্বদাই কলহ হইত। রাজার অত্যাচার অসহ হওয়াতে রামকান্ত রায় বিষয়কৰ্ম্মে অত্যন্ত উদাসীন হইয়াছিলেন। একটি তুলসীর উদ্যানে বসিয়া সৰ্ব্বদা হরিনাম জপ করিতেন। সময়মত বিষয় কৰ্ম্ম দেখিতেন। রামকান্তের প্রতি এই প্রকার অসদ্ব্যবহারবশত: রায়বংশীয়েরা বৰ্দ্ধমান রাজবংশের প্রতি অত্যন্ত বিরক্ত ছিলেন । কথিত আছে রামমোহন রায় যৌবনকালে একবার রাজা তেজচন্দ্রের সমক্ষে তাহার অন্যায় ব্যবহারের প্রতিবাদ করিয়াছিলেন। যাহা হউক, তাহার জ্যেষ্ঠ পুত্র রাধাপ্রসাদের মৃত্যুরপর কণিষ্ঠ পুত্র রমাপ্রসাদের সঙ্গে বৰ্দ্ধমান-রাজ মহাতাবচন্দ্রের সদ্ভাব হইয়াছিল। এস্থলে বলা আবশ্বক যে, রায়বংশ বহুবিস্তৃত হওয়াতে রামকান্ত সপরিবারে লাঙ্গুড়পাড়া গ্রামে আসিয় বাস করেন । অল্পবয়সে রামমোহন রায়ের প্রচলিত ধৰ্ম্মে নিষ্ঠ । নিতান্ত অল্প বয়সেই প্রচলিত ধৰ্ম্মের প্রতি রামমোহন রায়ের আন্তরিক আস্থা জন্মিয়াছিল ; গৃহদেবতা রাধাগোবিন্দকে যার পর নাই ভক্তি করিতেন। শুনা যায় যে, তাহার বিষ্ণুভক্তি এত প্রবল ছিল যে, তিনি বাটতে কখন মুনিভঞ্জন যাত্র হইতে দিতেন না। শ্ৰীকৃষ্ণ ত্ররাধিকার চর৭ে ধরিয়া কাদিবেন, শিথিপুচ্ছ, পীতধড়া ধুলায় লুষ্ঠিত হইবে, “ইহ ভারতের ভাবী ধৰ্ম্মসংস্কারকের চক্ষুশূল ছিল।” কথিত আছে