পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/২৪১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২৩৬ মহামা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত। সুস্থাবস্থায় ছিল। জর হইয়াছিল এবং তজ্জন্ত জীবনীশক্তির অত্যন্ত ক্ষীণত এবং মস্তিষ্কের প্রদাহ হইয়াছিল। কিন্তু সচরাচর উহার যে পরিমাণে বাহ চিহ্ন প্রকাশ হইয়া থাকে বর্তমান স্থলে সে প্রকার হয় নাই । র্তাহার সমাধি ও সমাধি মন্দির । পাছে তাহার পুত্ৰগণ তাহার বিষয়াধিকারে বঞ্চিত হন সেন্ট জন্ত রাজা পূৰ্ব্ব হইতেই তাহার ইয়োরোপীয় বন্ধুগণকে অনুরোধ করিয়াছিলেন যে, খৃষ্টীয়ানদিগের সমাধিস্থানে, খৃষ্টীয়ানদিগের মতানুসারে অস্তুেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন করিয়া তাহাকে সমাহিত করা • না হয় ; কোন স্বতন্ত্র স্তানে তাহার দেহ প্রোথিত করা হয় । বাস্তবিক তিনি আইন অনুসারে তাছার জাতি রক্ষা বিষয়ে সতর্ক থাকিতেন। তাহার মৃতশরীরে যজ্ঞোপবীত দৃষ্ট হইয়াছিল। তাহার এই অনুজ্ঞানুসারে ষ্টেপলটন গ্রোভের নিকটবর্তী একটি নির্জন বৃক্ষবাটিকায় নিঃশব্দে তাহাকে সমাহিত করা হইল । রামরত্ব ও রামহরি চীৎকারপূর্বক ক্ৰন্দন করিতে লাগিল। তাহার বন্ধু দ্বারকানাথ ঠাকুর মহাশয় বিলাত গমন করিয়া উক্ত স্থান হইতে আরনোস্ ভেল (Arno’s Wale) নামক স্থানে শব অস্তুয়িত করিয়া তাহার উপরে একটি সুন্দর সমাধিমন্দির প্রস্তুত করিয়া দিয়াছিলেন ।