পাতা:মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত.djvu/২৫৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২৪৮ মহাত্মা রাজ রামমোহন রায়ের জীবনচরিত ! হৃদয় ও ধৰ্ম্মভাব । তাহার বন্ধুগণের প্রতি তাহার ব্যবহার অতি কোমল ও মধুর ছিল । তিনি তাঙ্গার বন্ধুগণকে অনুরোধ করিয়াছিলেন যে, ব্রাহ্মসমাজে সকলে চাপকন ও বাধা পাগড়ি পরিধান পূৰ্ব্বক আগমন করেন । তিনি মনে করিতেন যে, ব্রাহ্মসমাজ পরমেশ্বরের দরবার ; সুতরাং সেখানে সুন্দর পরিচ্ছদ পরিধান করিয়া আসাই কৰ্ত্তব্য। কথিত আছে, শ্ৰীযুক্ত দ্বারকানাথ ঠাকুর মহাশয় এক দিবস অফিস স্কইতে আসিয়া পুনৰ্ব্বার পোষাক পরিধান করিতে কষ্ট বোধ হওয়ায়, ধুতি চাদরেই সমাজে আসিয়াছিলেন ; রামমোহন রায় উহা দেখিয়া দুঃখিত হইলেন, এবং তেলিনীপাড় নিবাসী শ্ৰীযুক্ত অন্নদাপ্রসাদ বন্যোপাধ্যায় মহাশয়কে অযুরোধ করিলেন যে, তিনি দ্বারকানাথ বাবুকে তদ্বিষয়ে কিছু বলেন। অন্নদাবাবু জানিতেন যে, রামমোহন রায়ের অত্যন্ত চক্ষুলজী,এবং সে জন্যই তিনি নিজে কিছু বলিতে পারিতেছেন না । সুতরাং তিনি তাহাকে বিশেষ করিয়া বলিলেন “মহাশরই কেন বলুন না।” তিনি শিষ্যদিগের প্রতি অত্যন্ত স্নেহের সহিত ব্যবহার করিতেন ; তাহাদিগকে “বেরাদার” বলিয়া সম্বোধন করিতেন । কেবল শিষ্যদিগকে কেন, প্রায় সকল লোককেই তিনি ঐক্লপ স্নেহসম্ভাষণ কল্লিতেন । অনেক সময় কোন আহলাদের কারণ উপস্থিত হইলে প্রেমালিঙ্গন করিতেন । কোন শিষ্য তাহার কোন দুৰ্ব্বলতা দেখিয়া বিক্রপ বা তিরস্কার করিলে